1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
১০ সন্তানের কেউ খোঁজ নেন বৃদ্ধ বাবা-মায়ের, জোটে না দুবেলা খাবার - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
২০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| সোমবার| দুপুর ১২:১০|
সংবাদ শিরোনামঃ
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের ২-নেতা এলাকাছাড়া ক্ষুদে শিশুদের হাতেই ‘দ্বীপকুঞ্জ’-এর উদ্বোধন অরুনিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাবে কালকিনিতে স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা”ঘাতক স্বামী গ্রেফতার” বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে সরকারের খরচ প্রায় শূন্য; গত বিশ্বকাপে মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে লেনদেন হয়েছিল প্রায় ১৪০ কোটি টাকা: তথ্যমন্ত্রী দেবীগঞ্জে লক্ষীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রবেশপথ বেহাল: কাদা-পানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা,, মাদারীপুরের চরনাচনায় মসজিদের নাম ভাঙিয়ে জমি দখলের পাঁয়তারা, সংঘর্ষের আশঙ্কা; আদালতে মামলা রাজশাহী তানোর থানায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা, প্রশংসায় ওসি এস এম মাসুদ পারভেজ। রাজশাহীতে ১ লাখ ৭৪ হাজার পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু ১০ সন্তানের কেউ খোঁজ নেন বৃদ্ধ বাবা-মায়ের, জোটে না দুবেলা খাবার রাজশাহী তানোরে নতুন সড়কের উদ্বোধন: সুশাসন ও সমন্বিত উন্নয়নের অঙ্গীকারে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান

১০ সন্তানের কেউ খোঁজ নেন বৃদ্ধ বাবা-মায়ের, জোটে না দুবেলা খাবার

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহীঃ-

আছাব আলীর বয়স এখন ৯০ বছর। তার স্ত্রী সালেকা বেগমের বয়স ৮০ বছর। বয়সের ভারে ন্যুব্জ আছাব আলী স্বাভাবিকভাবে চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। দৈনন্দিন কাজও অন্যের সহায়তা ছাড়া করতে পারেন না। স্ত্রী সালেকা বেগমও বয়সের কারণে নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। এরপরও নিজের অসুস্থতা উপেক্ষা করে প্রতিদিন স্বামীর দেখভাল করে যাচ্ছেন তিনি। কখনো স্বামীকে ধরে বাইরে নিয়ে যান, আবার কখনো মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সাহায্যের আবেদন করেন।

আছাব আলী ও সালেকা বেগম পাঁচ ছেলে ও পাঁচ মেয়ের বাবা-মা। বাড়ি সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের বানিয়াগাঁতী গ্রামে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অনেক কষ্ট করে আছাব আলী তার ১০ সন্তানকে বড় করেছেন। ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া, বিয়ে এবং সংসার গুছিয়ে দিতে জীবনের সবটুকু শ্রম দিয়েছেন। এখন শেষ বয়সে এসে সেই সন্তানরাই বাবা-মায়ের খোঁজ নেন না। ফলে দুবেলা খাবার জোগাড়ে তাদের নির্ভর করতে হচ্ছে প্রতিবেশীদের সহায়তার ওপর।

ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সোহাগ মণ্ডল জানান, আছাব আলী ও সালেকা দম্পতির নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী নিয়মিত সহায়তা দেওয়া হয়। তবে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো ১০টি সন্তান থাকা সত্ত্বেও শেষ বয়সে তাদের খোঁজ নেওয়ার মতো কেউ নেই। এতো ছেলে-মেয়ে থাকার পরও বাবা-মায়ের এই অবস্থা মেনে নেওয়া যায় না। এই বয়সে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিলো সন্তানদের ভালোবাসা ও যত্ন। কিন্তু তারা পেয়েছেন শুধু অবহেলা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com