
মোঃ শাহাবুদ্দিন সেলিম,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ-হিমেল বাতাস আর কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে, সেই সাথে কুয়াসায় ঢেকে আছে চারপাশ।রাতে টিনের চালে বৃষ্টির মতো কুয়াসা পরছে,সূর্যের তাপও দেখা মিলছে না।
আজ রবিবার সকাল ৮ টা থেকে বেড়েছে ঠান্ডা জনিত রোগ,কাবু হয়ে পরেছে দিনমজুরি কাজের মানুষ, ব্যাহত হয়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা,
এছাড়াও নদ নদী ভাঙন এলাকা ও চরের খেটে খাওয়া মানুষ গুলোও তাদের গৃহ পালিত গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে রয়েছে,জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। বৃদ্ধ ও শিশুদের শর্দীজ্বর ঠান্ডা কাশিতে অনেকেই ভুগছেন।নদী পারের জেলেরা এই শীতে মাছ ধরতেও হিমশিম খাচ্ছে, তাঁত শিল্প এলাকার তাঁতিরা সকালে কাজে আসতে পারছেন না। তীব্র শীতে অটোরিকশা চালকদের তো দূর্দশা শেষ নেই।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিনে ঠান্ডায় শতাধিক ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী,জ্যামি (৯ ম শ্রেণি) মিমি(৮ ম শ্রেণি) মরিয়ম (৭ ম শ্রেণি) ফাতেমা (৬ ষ্ঠ শ্রেণি) ফাহিম, হামজা, সোনিয়া, লামহা,আরাফাদ, সহ অনেক খুদে শিক্ষার্থীরা জানান, তিব্র শীত ও ঠান্ডার কারণে স্কুলে যেতে অনেক সমস্যা হয়। গ্রামের খেটে খাওয়া দিনমুজুর ইসলাম শেখ জানান
কয়েকদিন হলো সূর্যের মুখ দেখিনা, এই শীতে কাজে যেতে পারি না,কয়দিন ধরে অনেক কষ্ট করে জীবন যাপন করছি।
অটোরিকশা চালক সোহেল জানান, শীত ও ঠান্ডা থাকার কারণে সকালে অটোরিকশা নিয়ে বের হতে পারি না।
ঠান্ডায় হাত পা বরফ হয়ে যায়। আর যদিও বের হই, যাত্রীর দেখা মেলে না। এন জি ও থেকে কিস্তির টাকা তুলে অটোরিকশা কিনেছি এখন কিস্তির টাকা দিতে পারছি না।