
আতাউর রহমান চঞ্চলঃ- বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজের অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ জাটকা ইলিশ।একাধিকসূত্রে যানাযায় প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে এবং তাদের ছত্রছায়ায় এসব জাটকা অবাধেই বিক্রি করছেন হাট বাজারে মাছ ব্যবসায়ীরা। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে এসব জাটকা মাছ বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে টরকী বন্দর ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক সংলগ্ন টরকী নীলখোলা নামক পানের হাট স্থানে,উপজেলার বার্থী বাজার, ভাল্লুকসী বাজার, বাটাজোর, শরীকল, খাঞ্জাপুর বাজারসহ, তুলাতলা, মাহিলাড়া বাজার অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ জাটকা ইলিশ। প্রশাসনের নিরব ভূমিকা,
প্রতি বছর পহেলা নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৮ মাস সারা দেশে জাটকা ধরা নিষিদ্ধ। এটার জন্য প্রতিবছর আমাদের কোনো নোটিশ বা গেজেটের প্রয়োজন হয় না। তবে কেন কেউ মানছে না নিষেধাজ্ঞা। জেলে পল্লীর জেলেরা অবাধে নদীতে জাল ফেলে ধরা হচ্ছে জাটকা ইলিশ, বিক্রি হচ্ছে ছোট বড় বিভিন্ন হাট-বাজারে।
গৌরনদী উপজেলা মৎস্য অফিসের তথ্যে মতে প্রায় ২ হাজার ২শত জন জেলে নদীতে মাছ শিকার করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন। জাটকা অভিজানের বিষয় গৌরনদী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল বাশার বলেন যারা নদীতে জাটকা শিকার করে তাদের আমরা প্রায় ১লাখ ৫শত মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছি এবং ৩৯টি অভিযান ও ১৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩১ হাজার টাকা জরিমানসহ দোষীদের ১২টি মামলা দিয়েছি।এর পরও যদি কেউ জাটকা ইলিশ শিকার করে বিক্রি করে অবশ্যই তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।
উপজেলার জেলেদের খোঁজ খবর নিয়ে জানাযায় জাটকা ধরা নিষেধাজ্ঞার সময়ে ভিজিএফ কার্ডের (চাল) পাওয়ার কথা থাকলেও এখনও কেউ ভিজিএফ কার্ডের (চাল) পায়নি এমন অভিযোগ করেছে অনেক জেলে পরিবার। তবে এ অভিযোগের এবিষয় মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল বাশার জানান যে, ৪৬.৬৮ মেট্টিক টন চাল এসেছে ওই চাল আমরা কয়েক দিনের মধ্যেই জেলে পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হবে।