1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
নড়াইলের কালিয়ায় ১৭ কেজি ৪৫০ গ্রামের বিশাল কুমড়ো দেখতে মানুষের ঢল - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|
সংবাদ শিরোনামঃ
নড়াইলে বাক্‌প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, খালাতো ভাই গ্রেপ্তার রুদ্ধশ্বাস ফাইনাল শেষে কিরুকে হারিয়ে কাজী সেকেন্দার আলী স্মৃতি টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন আল-আমিন বরিশালে নদীর তলদেশ থেকে সাবমেরিন ক্যাবল চুরির চেষ্টা ঘুষের ভিডিও ভাইরাল: তানোর ভূমি অফিসের কর্মচারী ইমরুল কাশেম সাময়িক বরখাস্ত উজিরপুরে ভিটেমাটি ও পারিবারিক কবরস্থান উচ্ছেদের হুমকি প্রকৌশলীর! রাজশাহী চিড়িয়াখানার ঐতিহ্য ফেরাতে রাসিক প্রশাসক ও ডিজির যৌথ পরিদর্শন নড়াইলে দু’দিনব্যাপী সুলতান উৎসব শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন জহির উদ্দিন স্বপন গৌরনদীতে বেদে পল্লীতে দু’গ্রুপে হামলা-পাল্টা হামলা, ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ, ৫ নারীসহ আহত ১৫ জরাজীর্ণ ঘরে অসহায় চেরাগ আলী, সহায়তার আবেদন

নড়াইলের কালিয়ায় ১৭ কেজি ৪৫০ গ্রামের বিশাল কুমড়ো দেখতে মানুষের ঢল

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নড়াইল প্রতিনিধিঃ-

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতীর ডহর বল্যাহাটি গ্রামের গৃহস্থ আলহাজ্ব কোবাদ সিকদারের বাড়িতে জন্ম নেওয়া একটি বিশাল আকৃতির কুমড়ো এখন স্থানীয় মানুষের ব্যাপক কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই শত শত মানুষ ওই কুমড়ো এক নজর দেখতে ভিড় করছেন বাড়িটিতে।

জানা যায়, গৃহস্থের সহধর্মিণী গৃহিণী মোসা. জেসমিন আকতার জুই (৫৫) কয়েক মাস আগে ঢাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে সেখান থেকে দুটি কুমড়োর বীজ নিয়ে আসেন। পরে নিজ বাড়ির আঙিনায় বীজ দুটি রোপণ করে নিয়মিত পরিচর্যা করতে থাকেন। একসময় গাছ দুটি পরিপূর্ণভাবে বেড়ে ওঠে এবং তাতে দুটি কুমড়ো ধরে। এর মধ্যে একটি কুমড়োর ওজন হয়েছে ১৭ কেজি ৪৫০ গ্রাম, যা এলাকায় বিরল ঘটনা হিসেবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণত গৃহস্থের বাড়ির আঙিনায় এত বড় কুমড়ো উৎপাদিত হয় না। তাই বিশাল আকৃতির এই কুমড়ো দেখতে প্রতিদিনই আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ ভিড় করছেন। বাড়িটি যেন এখন দর্শনার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

গৃহিণী জেসমিন আকতার জুই বলেন, “এত মানুষ আগে কখনও আমাদের বাড়িতে আসেনি। সবাই কুমড়োটি দেখতে এসে প্রশংসা করছেন। এতে আমি খুব আনন্দিত। এই কুমড়ো থেকে বীজ সংরক্ষণ করে পাড়া-প্রতিবেশীদের মধ্যে বিতরণ করব, যাতে তারাও এমন বড় কুমড়ো চাষ করতে পারেন।”

এলাকাবাসীর আশা, সঠিকভাবে বীজ সংরক্ষণ ও চাষাবাদ করা গেলে ভবিষ্যতে আরও অনেক কৃষক ও গৃহস্থ এমন ব্যতিক্রমী ফলনের মাধ্যমে লাভবান হতে পারবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com