1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
লাগামহীন অভিযোগ দেবভোগ কমিউনিটি ক্লিনিকের সুকান্তের নামে - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|
সংবাদ শিরোনামঃ
‎মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ১জন গ্রেফতার মৎস্য ব্যবস্থাপনায় অবদানের স্বীকৃতি পেলেন নূর আলম জিকু উজিরপুরে ৪১ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি হারতা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। জরাজীর্ণ  টিনশেড ঘরে চলছে ক্লাস। মাদারীপুরে মানবপাচার মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি, জিম্মি সন্তানকে ফেরত সহ অপরাধীদের শাস্তি দাবি কালিয়ায় আপন ভাইয়ের মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে ৫ ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে গৌরনদীতে মৎস্যজীবিদের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরন উজিরপুরে ভাঙ্গা সড়কে মানববন্ধন করায় শিক্ষার্থী ও জনগনকে শাসালেন প্রকৌশলী সুব্রত রায় – (পর্ব ১) আগৈলঝাড়ায় ৫শ ৩৩ বছরের পুরোনো মনসা মন্দিরে বাৎসরিক পুজা অনুষ্ঠিত বরিশালে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত রেঞ্জ ডিআইজির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। জলাবদ্ধতায় নাকাল গৌরনদী পৌরবাসী, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

লাগামহীন অভিযোগ দেবভোগ কমিউনিটি ক্লিনিকের সুকান্তের নামে

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
  • ১৫১ বার পড়া হয়েছে

 

নড়াইল প্রতিনিধিঃ-

নড়াইলে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ফৌজদায়েরী কার্যবিধি ১০৭ ধারায় টুলু কুমার মৈত্র ও সুকান্ত মৈত্র ২ ভাইয়ের নামে মামলা করেছিলেন তুহিন কুমার দাস। মামলার অনুসন্ধানে গেলে বেরিয়ে আসে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে। এলাকাবাসীর যেন অভিযোগের শেষ নেই সুকান্ত মৈত্রর নামে।

শুধু তুহিন কুমার দাসের সাথে নয়, একাধিক মানুষের সাথে প্রতারণা, মিথ্যা মামলা, কমিউনিটি ক্লিনিকে আগত রোগীদের সাথে অসদাচরণ সহ নানান অপরাধের সত্যতা মিলেছে এই সুকান্ত মৈত্রর নামে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, নড়াইলের শেখহাটী ইউনিয়নের দেবভোগ গ্রামের মৃত অশোক মৈত্রর ছেলে সুকান্ত মৈত্র স্থানীয় দেবভোগ কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত আছেন। কিন্তু তিনি ইচ্ছে মতো ব্যবহার করেন জনস্বাস্থ্য সেবামূলক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে। নিয়মানুবর্তিতার কোন বালাই নেই তার কার্যক্রমে। অফিস খোলা ও বন্ধের রাষ্ট্রীয় সময়সূচির কোন তোয়াক্কা না করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় একের পর এক অপরাধ করেই চলেছে সুকান্ত।

সুকান্তের ব্যাপারে জানতে চাইলে স্থানীয় বিএনপি নেতা জহুরুল ইসলাম বলেন, কি বলব সুকান্তের কথা, আমার সাথেও প্রতারণা করেছে জমির টাকা নিয়ে। সুকান্ত হচ্ছে সম্পূর্ণ চিটার টাউট ও নারী লোভী।

নারী লোভীর বিষয়টি নিয়ে একাধিক লোক মন্তব্য করেছেন। এলাকাবাসী জবানবন্দিতে উঠে এসেছে স্থানীয় প্রনব বিশ্বাসের স্ত্রী একজন স্কুল শিক্ষিকা। তিনি দেবভোগ কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিতে গেলে লম্পট সুকান্ত তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। এই ঘটনা সর্বশেষ সুকান্তকে সাপোর্ট করা সেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতা মিলে ভুক্তভোগীদের সাথে মিমাংসা করেন। ঘটনাটি তৎকালীন সময়ের নড়াইল জেলা সিভিল সার্জন অফিসারও অবগত বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য পরেশ বিশ্বাস।

স্থানীয়দের কাছে সুকান্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই, সাংবাদিকদের সামনে বেরিয়ে আসে সুকান্ত কতৃক আরেক শিক্ষককে মিথ্যা মামলা দিয়ে দীর্ঘদিন হয়রানির এক মর্মাহত চিত্র। সুকান্তের দ্বারা হয়রানির স্বীকার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গোলক মৈত বলেন, আমাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলা দিয়ে দীর্ঘদিন হয়রানি করেছে সুকান্ত। সে তার নিজের মাকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়ে আমাকে সমাজে সম্মানহানির মতো নিকৃষ্ট কাজ করতেও পিছু পা হয়নি। সর্বশেষ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের বিশিষ্টজনের সহায়তায় আমি তার থেকে মুক্তি পেয়েছি এবং বর্তমানে আমি অবসরপ্রাপ্ত।

সুকান্ত কতৃক হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্তের মধ্যে রয়েছেন তার নিজের পিসি(ফুফু) সন্ধ্যা রানী দাশের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার ভাইপো সুকান্ত একজন লোভী ও বেয়াদব। সে তার নিজের বাবার সম্পত্তির পাশাপাশি আমার দাদা অশিত মৈত্র(সুকান্তের বাবার বড় ভাই) এর সম্পত্তি দখলের পায়তারা করছে দীর্ঘদিন যাবত। দাদা অশিত মৈত্র মারা যাওয়ার পরে বিধবা নিঃসন্তান বিনা মৈত্রর উপর চালিয়ে যাচ্ছে এক নাটকীয় হয়রানি। আমার বৌদি একজন ভালো মানুষ হওয়ায় মুখ বুঝে সব সহ্য করেন। কিন্তু বৌদি যাতে সবকিছু ফেলে চলে যায় তার জন্য সুকান্ত ভয়ভীতি প্রদর্শন ও রাতে বাড়িতে ঢিল মারাসহ প্রতিনিয়ত অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং গোপনে ওয়ারেস কায়েম সনদ নেওয়ার পায়তারা করছে জানতে পেরে সন্ধ্যা রানী দাশ নিজে বাদী হয়ে নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর অভিযোগ করেন প্রায় ৪ মাস আগে।

নির্যাতিত অসহায় বিনা মৈত্রর সাথে কথা হলে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমি জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। প্রতিনিয়ত আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। রাতের আধারে আমার ঘরে ইট মারা সহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছে সুকান্ত ও তার পরিবার। কিছুদিন আগে আমার কাছে আসার সময় আমার বোনের ছেলে তুহিন কুমার দাস, যাকে আমি নিজের মতো করে মানুষ করেছি। তাকে পথরোধ করে মারতে গিছিলো। পরে এলাকার লোকজন চলে আসলে সুকান্ত জীবননাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। তুহিন আমার বোনের ছেলে হলেও আমি তাকে নিজের ছেলে ভাবি। ঘটনার সময় আমরা উপস্থিত না হলে হয়ত আজ তুহিনকে হারাতে হতো। সুকান্ত ও টুলুর কাছে রামদা ও লোহার রড ছিল। তারা সবসময়ই চাই আমার সম্পত্তি দখল করতে। এই সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি এবং আমাদের নিরাপত্তাহীনতার জন্য তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করছি।

নানাবিধ অভিযোগের সত্যতা জানতে সুকান্ত মৈত্রর কাছে মুঠোফোনে কল দিলে সে সাংবাদিকদের কিছু বলতে নারাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com