1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
গৌরনদীর টরকীতে অন্তঃস্বত্তা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হাটু পর্যন্ত ফ্লোরে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার। - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|
সংবাদ শিরোনামঃ
আগৈলঝাড়ায় রাতের আঁধারে ফলের বাগানের ৫ শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ মাদারীপুরের ডাসার ইউনিয়নে উন্মুক্ত ওয়ার্ড সভায় গ্রাম আদালত নিয়ে আলোচনা গোদাগাড়ীতে ৪০০ বোতল ‘এসকাফ’ উদ্ধারের দাবি, পুলিশের ঘুষ বাণিজ্য, নাটক সাজানো ও এএসআই মাহবুবের দিকে আঙুল গৌরনদীর টরকীতে অন্তঃস্বত্তা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হাটু পর্যন্ত ফ্লোরে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার। বিচারহীনতার ৯৬ ঘণ্টা: উল্টো মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মায়ের আকুতি মাদারীপুরে ডেমোক্রেটিক ও জালিয়াতির মাধ্যমে বালু উত্তোলনের অনুমতিপত্র জারির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের কঠোর সতর্কবার্তা তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়িতে ভাজা ইলিশ আর রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত মার্কিন রাষ্ট্রদূত। যোগানিয়ায় প্রতিবন্ধীকে হুইলচেয়ার, শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ চিত্রশিল্পী ড. আব্দুস সাত্তারের হাতে সুলতান পদক তুলে দিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী বর্ণাঢ্য আয়োজনে এস এম সুলতানের ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী পালন নড়াইলে মাদক কারবারিদের হামলায় পুলিশের এস আই আহত 

গৌরনদীর টরকীতে অন্তঃস্বত্তা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হাটু পর্যন্ত ফ্লোরে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার।

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

 

আতাউর রহমান চঞ্চল, নিউজ ডেস্ক বরিশাল গৌরনদীঃ-

আড়াই মাসের অন্তঃস্বত্তা গৃহবধূর হাঁটু পর্যন্ত ফ্লোরে ঝুলানো অবস্থায় গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার টরকী বন্দর এলাকার।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বলেন, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে মৃতের মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ওসি আরও জানিয়েছেন, ময়নাতন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্তে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে।

এরপূর্বে জাতীয় জরুরি সেবা নাম্বারের ফোন পেয়ে সোমবার (১০ আগস্ট) দিবাগত রাত তিনটার দিকে গৌরনদীর টরকী বন্দর ছাগলহাটা এলাকার জনৈক মন্টু সরদারের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে পুলিশ মৃত মোমেনা বেগমের (২৪) মরদেহ উদ্ধার করেছে।

মৃতের খালাতো ভাই ওমর ফারুক মঙ্গলবার দুপুরে মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন, মৃত মোমেনা বেগম ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌরসভার কানারামপুর গ্রামের মো. আব্দুল্লাহ মিয়ার কন্যা। সে (মোমেনা) কর্মের সুবাদে দীর্ঘদিন থেকে দুবাইতে বসবাস করে আসছিলো।

তিনি আরও জানিয়েছেন, দুবাইতে বসে মোমেনার সাথে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার রমজানপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহাগ রাঢ়ীর পরিচয় হয়।

একপর্যায়ে মোমেনা ও সোহাগের মধ্যে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক ও পরে গত তিনবছর পূর্বে দুবাইতে বসে তাদের বিয়ে হয়।

সূত্রে আরও জানা গেছে, বর্তমানে মোমেনা বেগম আড়াই মাসের অন্তঃস্বত্তা। যেকারণে গত ১৫দিন পূর্বে স্বামী সোহাগ রাঢ়ী তার অন্তঃস্বত্তা স্ত্রী মোমেনা বেগমকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেন। সেই থেকে মোমেনা টরকী বন্দরের ছাগলহাটা এলাকার জনৈক মন্টু সরদারের ভাড়াটিয়া বাসায় শাশুড়ি, দেবর ও জায়ের সাথে বসবাস করে আসছিলেন। মোমেনার জা দিনা বেগম তারই (মোমেনা) আপন ছোট বোন।

মোমেনার বিয়ের পর তার অপর প্রবাসী দেবর রায়হান রাঢ়ীর সাথে এক বছর পূর্বে দিনা বেগমের সামাজিকভাবে বিয়ে হয়।

মোমেনার ছোট বোন দিনা বেগম বলেন, বাড়িতে ফেরার পর থেকে মোমেনা বেগমকে তার স্বামী মোবাইল ফোনে তালাক দেয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলো।

তিনি আরো বলেন, ঘটনারদিন (সোমবার) বিকেলে জরুরি প্রয়োজনে তিনি বাসার বাহিরে গিয়ে রাতে ফেরেন। এসে দেখেন মোমেনার রুমের দরজা বন্ধ।

স্থানীয় বাসিন্দা জিয়াউর রহমান বলেন, রাত বারোটার দিকে বিদেশ থেকে তার বন্ধু মোমেনার স্বামী সোহাগ ফোন করে তাকে জানিয়েছে মোমেনার রুমের দরজা বন্দ। তাই তাকে (জিয়াউর) বাসায় যেতে বলেন।

জিয়াউর রহমান আরও জানিয়েছেন, তিনি অপর এক ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে ওই বাসায় গিয়ে মোমেনার রুমের দরজা বন্দ দেখতে পান। পরবর্তীতে বাসায় থাকা মোমেনার দেবর রাহাত রাঢ়ী (১৭) ও তার মায়ের সহযোগিতায় রুমের দরজা ভাঙ্গেন।

জিয়াউর রহমান বলেন, দরজা ভাঙ্গার পর তারা ভিতরে গিয়ে দেখতে পান রুমের জানালার গ্রীলের সাথে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় রয়েছেন মোমেনা। তবে তার পা হাঁটু পর্যন্ত ফ্লোরের সাথে ছিলো। পরবর্তীতে জাতীয় জরুরি সেবা নাম্বারে কল করে বিষয়টি জানানোর পর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

মৃত মোমেনার বাবা মো. আব্দুল্লাহ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। ছোট মেয়ে দিনা বেগম বাসায় না থাকার সুযোগে প্রবাসী সোহাগের প্ররোচনায় তার ছোটভাই ও মা মিলে মোমেনাকে হত্যা করেছে। পরবর্তীতে তড়িঘড়ি করে মোমেনার মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

তিনি (আব্দুল্লাহ) পুরো ঘটনার সঠিক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বলেন, পুরো বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ওসি আরও জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মৃত মোমেনা বেগমের শাশুড়ি ও দেবরকে থানায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় মৃতের বাবার পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তারও তদন্ত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com