1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
উজিরপুরে ৪১ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি হারতা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। জরাজীর্ণ  টিনশেড ঘরে চলছে ক্লাস। - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|
সংবাদ শিরোনামঃ
আগৈলঝাড়ায় জমি বিরোধে যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, লুটের দাবি পরিবারের বানারীপাড়ায় সেফটি ট্যাংকে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু কালকিনিতে ভাড়ায় মারা-মারি করতে এসে হত্যা মামলার আসামি নিহত, আহত-৫ খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা, ঘটনাস্থলে নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল হিমছড়িতে পর্যটকদের মৃত্যুর মিছিল, উদ্ধার আরও এক মরদেহ; নিহত ৪, নিখোঁজ ১ কালকিনিতে সংঘর্ষে হত্যা মামলার আসামি নিহত, আহত ৪ অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলো রাজশাহী সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ভারতীয় গাঁজা ও ১০ হাজার ইলেকট্রিক রেজিস্ট্যান্স জব্দ রাজশাহীতে বাড়িতে হামলা, বৈদ্যুতিক মিটার ভাঙচুর ও টাকা-স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত মিলে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে, জহির উদ্দিন স্বপন

উজিরপুরে ৪১ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি হারতা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। জরাজীর্ণ  টিনশেড ঘরে চলছে ক্লাস।

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

 

উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ-

প্রতিষ্ঠার ৪১ বছর পেরিয়ে গেলেও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত ছোঁয়া লাগেনি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। জরাজীর্ণ টিনশেড ঘর, শ্রেণিকক্ষ সংকট, বৃষ্টিতে পানি পড়া এবং সড়কের অপর পাশে শ্রেণিকক্ষ থাকায় নানা ভোগান্তির মধ্যেই চলছে পাঠদান। অথচ শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে ধারাবাহিক সাফল্য দেখিয়ে আসছে বিদ্যালয়টি।

১৯৮৫ সালে নারী শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রয়োজনের তুলনায় বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ৩ শত ৬৮ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে বিদ্যালয়টি। এছাড়া ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়টির পাসের হার ছিল প্রায় ৬৮ শতাংশ।

শুধু একাডেমিক ফলাফল নয়, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতেও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে আসছে। ফলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের এমন সাফল্যের বিপরীতে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত বেহাল দশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি উদ্যোগে অফিস কক্ষের জন্য একটি পাকা একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল বহু পূর্বে। যাহা কম্পিউটার ল্যাব ও অফিস কক্ষেই সীমাবদ্ধ।

ফলে অধিকাংশ শ্রেণির পাঠদান চলছে জরাজীর্ণ তিনটি টিনশেড ঘরে।

সামান্য বৃষ্টি হলেই টিনের চাল দিয়ে শ্রেণিকক্ষের ভেতরে পানি পড়ে। এতে পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বই-খাতা ও শিক্ষা উপকরণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার তীব্র গরমে টিনশেড ঘরের ভেতরে অসহনীয় পরিবেশে ক্লাস করতে হয় ছাত্রীদের।

আরও উদ্বেগের বিষয়, তিনটি টিনশেড ঘরের মধ্যে দুটি বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ পেরিয়ে পাকা সড়কের অপর পাশে অবস্থিত। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস করার জন্য সড়ক পারাপার হতে  হয়। এতে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।

বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, বসার ব্যবস্থা ও মানসম্মত শৌচাগারসহ প্রয়োজনীয় নানা সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। নেই খেলার মাঠ ও বিনোদনের স্থান। আধুনিক ও নিরাপদ পরিবেশে পাঠদানের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে বিদ্যালয়টি অবকাঠামোগত সংকটে থাকলেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাদের প্রশ্ন, সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও যে বিদ্যালয়টি ভালো ফলাফল করছে, সেখানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করা হচ্ছে না কেন?

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুখেন চন্দ্র হালদার বলেন, “বর্ষার সময়ে টিনশেড ঘরে ক্লাস নেওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা না হলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান আরও ব্যাহত হবে।”

বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শাহিন সরোয়ার বলেন, “বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৩ শত ৬৮ জন শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষার্থীদের তুলনায় বর্তমান অবকাঠামো অত্যন্ত অপ্রতুল। একটি বহুতল ভবন নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।”

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবিএম জাহিদ হাসান বলেন, যেসব বিদ্যালয়ে অবকাঠামগত সমস্যা রয়েছে তাদের তালিকা করে মাননীয় এমপি মহোদয়ের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

এলাকাবাসী, অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘ ৪১ বছরের অবহেলার অবসান ঘটিয়ে হারতা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দ্রুত একটি আধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণ করা হোক। তাদের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যালয়টিতে নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com