1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
আগৈলঝাড়ায় সোনালী ব্যাংক কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও ঋণগ্রহীতার পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|
সংবাদ শিরোনামঃ
তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়িতে ভাজা ইলিশ আর রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত মার্কিন রাষ্ট্রদূত। যোগানিয়ায় প্রতিবন্ধীকে হুইলচেয়ার, শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ চিত্রশিল্পী ড. আব্দুস সাত্তারের হাতে সুলতান পদক তুলে দিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী বর্ণাঢ্য আয়োজনে এস এম সুলতানের ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী পালন নড়াইলে মাদক কারবারিদের হামলায় পুলিশের এস আই আহত  রামপালে সাংবাদিকদের সাথে ওয়ার্ল্ড ভিশন রামপাল কো অর্ডিনেশনের মতবিনিময় সভা গৌরনদীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে সাত বছরের মধ্যে ফলাফলে বড় ধরনের ধস রাজশাহী ব্যাটালিয়ন ১ বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে পৃথক অভিযানে ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল ও মাদকদ্রব্য জব্দ গৌরনদীতে দক্ষিণবঙ্গ সাহিত্য পরিষদের নতুন নেতৃত্বে পলাশ–মামুন উজিরপুরে সড়কের বেহাল দশা, সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী-এলাকাবাসীর অবরোধ

আগৈলঝাড়ায় সোনালী ব্যাংক কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও ঋণগ্রহীতার পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

প্রতিদিনের ক্রাইম নিউজ ডেস্ক, বরিশাল আগৈলঝাড়াঃ-

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা সোনালী ব্যাংকের পার্টটাইম সার্ভিস (পিটিএস) কর্মচারী অসিম চন্দ্র করের বিরুদ্ধে ঋণ বিতরণে ঘুষ নেওয়া এবং ঋণগ্রহীতার পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ও ঋণগ্রহীতা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের তালতার মাঠ গ্রামের গোপাল হালদাদের স্ত্রী ইতি হালদারের মালিকানাধীন হালদার মৎস্য খামারের নামে সোনালী ব্যাংক গৈলা শাখায় ৩ লক্ষ টাকার ঋণের জন্য আবেদন করেন। ইতি হালদার জামিনদার সংগ্রহ করতে না পারায় ব্যাংকের কর্মচারী অসিম চন্দ্র কর জামিনদার হিসেবে গৈলা হাসপাতালের কর্মচারী শহিদুল ইসলামকে হাজির করে ঋণ মঞ্জুর করান।এসময় ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা রেখে দেন গৈলা সোনালি ব্যাংকের পার্টটাইম সার্ভিস (পিটিএস) কর্মচারী অসিম চন্দ্র কর। ঋণ গ্রহণের পর ইতির স্বামী গোপাল হালদার বিদেশে চলে যান। কিন্তু নিয়মিত বেতন না পাওয়ায় কিস্তি খেলাপি হয়ে যায়।এ অবস্থায় অসিম চন্দ্র কর গোপালের বাড়িতে গিয়ে ইতি হালদারকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি— ধামকি দেন। পরে স্থানীয়দের নিয়ে গোপালের স্ত্রী ইতি হালদার অসিমের কাছে কিস্তির টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য ১২ হাজার ৬০০ টাকা দেন। ওই টাকা অসিম ব্যাংকে জমা না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করেন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়ায়। পরে গৈলা সোনালি ব্যাংক শাখার কর্মচারী অসিম কর পুলিশের এএসআই অনুপম বিশ্বাসকে নিয়ে ইতি হালদারের বাড়িতে যায়। স্থানীয় জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে ম্যানেজ করার কথা বলে ইতি হালদারের কাছ ৩ হাজার টাকা আনেন অসিম কর। এব্যাপারে অভিযুক্ত গৈলা সোনালি ব্যাংকের পার্টটাইম সার্ভিস (পিটিএস) কর্মচারী অসিম চন্দ্র কর ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও পরবর্তীতে আরো ১২ হাজার ৬০০ টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, ইতি হালদার ঋণ গ্রহণের জন্য জামিনদার সংগ্রহ করতে পারেনি। আমি জামিনদার সংগ্রহ করে ব্যাংক থেকে ৩ লক্ষ টাকা ঋণের ব্যবস্থা করে দেই। এব্যাপারে গৈলা সোনালি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক রতন চন্দ্র দে বলেন, আমি এই শাখায় যোগদানের পূর্বে এই ঋণ দেওয়া হয়েছে। তাই এব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। অসিমের বিরুদ্ধে এই টাকা নেওয়ার ঘটনা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com