
মোঃ হেমায়েত হোসেন খান,নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ-মাদারীপুরের ডাসারে বিভিন্ন মিশ্র প্রজাতির ফলের বাগান করে সফলতার স্বপ্ন দেখছিলেন আরব আমিরাত প্রবাসী ও ডাসার উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মোঃ আরিফ বিল্লাহ।
জানা যায়,তার নিজের ক্রয়কৃত সম্পত্তির ৫১ শতাংশ জমির মধ্যে দেশি-বিদেশি প্রায় দের শতাধিক প্রজাতির ফলজ গাছ লাগিয়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
সে প্রবাসে থাকা কালীন সময়ে উচ্ছা ছিল দেশে ফিরে মনোযোগ সহকারে কৃষি কাজের মাধ্যমে বাকি জীবন কাটাবেন,তাই তিনি প্রবাস থেকে এসে ৫১ শতাংশ জমিতে ফলের বাগান শুরু করে, তাই সে একজন কৃষক হিসেবে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের ডাসার উপজেলা সদস্য সচিব করা হয়।
কৃষি কাজের প্রতি রয়েছে তার প্রবল আগ্রহ ও চেষ্টা। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলার ডাসার ইউনিয়নের দক্ষিণ ডাসার গ্রামে তার নিজ বাড়ির ৫১ শতাংশ জমিতে গড়ে তোলেন কেমিক্যাল মুক্ত বিভিন্ন জাতের ফলের বাগান।
কৃষক দল নেতা আরিফ বিল্লাহ বলেন, আমি জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক, আমি একজন কৃষক বান্ধব নেতা,তাই আমি সেই নেতার সৈনিক হিসেবে ডাসার উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব হয়েছি।আমি দির্ঘ দিন বিদেশে থেকে দেখেছি বিভিন্ন ফলের চাষ তাই আমার ইচ্ছা ছিল, আমি ও কৃষক দলের নেতা হিসেবে ফলের বাগান করব, প্রথমে শখের বসে নিজের বিবেক বুদ্ধি খাটিয়ে মিশ্র ফলের বাগান শুরু করেছি। পরবর্তীতে বিভিন্ন এলাকা থেকে উন্নত জাতের ফলের চারা এনে নিজের প্রচেষ্টায় মিশ্র ফলের বাগান গড়ে তুলেছি।
আমার বাগানে রয়েছে উন্নত জাতের নারিকেল, আম, লেবু, লিচু, পেয়ারা, টক তেঁতুল, মিষ্টি তেঁতুল,বেল, উন্নত জাতের কুল, বল সুন্দরি, থাই আপেল কুল, কাশ্মীরি আপেল কুল, আম্রপালি, হাড়ী ভাংগা, হিম সাগর, ভারী ফোর, বারো মাসি কাটিমোন মেংগু, দার্জিলিং কমলা, মাল্টা, এলাচি, দারুচিনি, আলুবোখরা, থাই পেয়ারা সহ নানা জাতের মিশ্র ফল সহ প্রায় দের শতাধিক ফলের গাছ।
তিনি আরো বলেন,কৃষি অফিসের কোনো পরামর্শ বা সহায়তা পাই নাই। তাই আমি নিজের বুদ্ধিতে নিয়মিত ভাবে মিশ্র ফল বাগানে পরিচর্যা করে যাচ্ছি। এবছর ভালো ফলন হয়েছিল কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে, এতে আমার তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এই প্রতিবেদক সরজমিনে গিয়ে মিশ্র ফল চাষি আরিফ বিল্লাহর সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি ডাসার উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব, তিনি শখের বসে বিভিন্ন জাতের ফলের চাষ শুরু করেন,তার লাগানো গাছ গুলোতে আম সহ বিভিন্ন জাতের পর্যাপ্ত পরিমাণে ফলন হয়েছে। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাজারজাত করতে পারতেন।
কিন্তু কালবৈশাখী ঝড়ে সবেই শেষ হয়ে গেলো। কালবৈশাখী ঝড়ে তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ও জানান। তারপর ও আশা ছাড়েননি তিনি। তার বাগানে রয়েছে নানাজাতের ফলের গাছ।
আগামীতে সবগুলো গাছে ফুল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে বাগানে নিয়মিত তিনজন শ্রকিক পরিচর্যার কাজ করছে।
কথোপকথন এর এক পর্যায়ে তিনি বলেন, আমি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চাই। ফলের বাগান আগামীতে আরো বৃদ্ধি করতে চাই। তিনি এসব কাজে উপজেলা কৃষি অফিস ও বিএডিসির ও সহযোগিতা চান।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বক্তব্যের জন্য তার অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।