1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
মাদারীপুরে সাবেক পুলিশ সুপার সুব্রত"দুদকের মামলায় কারাগারে - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| ভোর ৫:৪০|
সংবাদ শিরোনামঃ
লোনের প্রলোভনে ফাঁকা চেক নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে নারী উদ্যোক্তার সংবাদ সম্মেলন চুরি মামলা তুলে না নেয়ায় সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম-আঙুল বিচ্ছিন্ন আরএমপির ৩৪তম পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির ওয়ার্ল্ড ভিশনের উপকূলীয় অঞ্চলে সোলার পাওয়ারড সেভ ওয়াটার প্রজেক্টের শুভ উদ্বোধন লাগামহীন অভিযোগ দেবভোগ কমিউনিটি ক্লিনিকের সুকান্তের নামে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিট সুগার মিলের শুভ উদ্বোধন করলেন শিল্পমন্ত্রী,, স্বর্গীয় মানিক লাল সাহার ৮৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী সীমান্তে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় মদ ও সিরাপ জব্দ বরিশাল জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল রাজশাহীতে দুই মন্ত্রী, বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা

মাদারীপুরে সাবেক পুলিশ সুপার সুব্রত”দুদকের মামলায় কারাগারে

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক প্রতিদিনের ক্রাইমঃ- মাদারীপুরে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দুর্নীতিতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদকের) করা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদারের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বুধবার (২০ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর এ আদেশ দেন।

এর আগে সুব্রত কুমার হালদার উচ্চ আদালত থেকে তিন মাসের আগাম জামিনে ছিলেন। জানা যায়, পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার সবশেষ রাজশাহী জেলার পুলিশ একাডেমিতে কর্মরত ছিলেন।

২০১৯ সালে পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টি আর সি) পদে দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলাটি করে দুদক। এ মামলায় মাদারীপুরের সাবেক পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদারসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে গত ১১ জুলাই মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মোঃ হাফিজুল ইসলাম।

অভিযুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিরা হলেন, সাবেক কনস্টেবল নুরুজ্জামান সুমন, সাবেক কনস্টেবল জাহিদুল ইসলাম, সাবেক টিএসআই গোলাম রহমান ও পুলিশ হাসপাতালের সাবেক মেডিকেল সহকারী পিয়াস বালা। আরেক আসামি মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটমাঝি এলাকার মৃত সফিউদ্দিন ফরাজীর ছেলে হায়দার ফরাজীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেছিল দুদক।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাদারীপুর সমন্বিত কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৮ মে পুলিশে টিআরসি পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সদর দপ্তর।

পরে ওই বছরের ২৬ জুন ৩১ জন পুরুষ ও ২৩ জন নারীকে কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগেই ২০১৯ সালের ২৪ থেকে ২৬ জুন কয়েক ধাপে ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আসামিদের কাছ থেকে গচ্ছিত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি বিশেষ দল।

পরে অনুসন্ধানে পুলিশ সদর দপ্তর জানতে পারে, উদ্ধার করা টাকা বিভিন্ন চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তরের সুপারিশে ২০২৩ সালের ৫ জুলাই দুদকের মাদারীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম।

অনুসন্ধানে চাকরিপ্রত্যাশী ৩২ পরীক্ষার্থীর লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র যাচাই করেন দুদক। এসব উত্তরপত্র থেকে দুদক জানতে পারে, উত্তর পত্রের প্রথম পৃষ্ঠার নিচে ডান কোনায় উদ্ধৃতি চিহ্ন, হাই ফেনসহ বিভিন্ন প্রকার বিরামচিহ্ন দেওয়া রয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় পাস করানোর জন্য এসব চিহ্ন দিতে বলে অভিযুক্ত চক্রটি। উত্তরপত্রে এসব চিহ্ন থাকা ৩২ পরীক্ষার্থীকে বেশি নম্বরও দিয়েছেন অভিযুক্ত পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার।

সাবেক এই পুলিশ সুপারের হয়ে ঘুষের ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন তাঁর বডিগার্ড নুরুজ্জামান সুমন, সাবেক কনস্টেবল জাহিদুল ইসলাম, সাবেক টিএসআই গোলাম রহমান, পুলিশ হাসপাতালের সাবেক মেডিকেল সহকারী পিয়াস বালা।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনা ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির সাবুর্লার বা শর্তাবলি লঙ্ঘন করে পেনাল কোডের ১৬১/৪২০ ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

দুদকের মাদারীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আকতারুজ্জামান বলেন প্রধান আসামি সুব্রত কুমার হালদার এতদিন উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে ছিলেন। তিনি আজ মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে স্থায়ী জামিনের জন্য আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশনা দেন। এ মামলায় অন্য আসামিরা কারাভোগ শেষে তারা নিম্ন আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।

দুদকের আইনজীবী মো. আনিসুর রহমান বলেন, ‘সুব্রত কুমার হালদার স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আমরা তার তীব্র আপত্তি জানাই। পরে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন। সুব্রত কুমারের বিরুদ্ধে দুদক স্পষ্টভাবে দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে এবং অভিযোগপত্র দাখিলও করেছে। তিনি প্রকাশ্যে ঘুষ নিয়ে অপরাধ করেছে। তাই রাষ্ট্র পক্ষে তৎপর হয়ে সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে। রাষ্ট্র ও দুদক ন্যায় বিচার পেয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com