
মোঃ হেমায়েত হোসেন খান
নিজস্ব প্রতিবেদক মাদারীপুর।
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় ফজিলাতুন্নেছা (৭০) বছরের এক বৃদ্ধা হত্যার পরে বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকারি কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
হত্যাকার ঘটনায় -আসামী সোহাগ হাওলাদার (২৮)কে আদালতে পাঠালে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দিয়েছে হত্যাকারী। গ্রেফতারকৃত সোহাগ হাওলাদার শিবচর উপজেলার বৈকণ্ঠপুর এলাকার মো. মফিজ হাওলাদারের ছেলে। নিহত ফজিলাতুন্নেছা (৭০) একই এলাকার মৃত আবদুর রহমান আকনের স্ত্রী।
(২৩ জানুয়ারি) শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ ঘটিকার সময় মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত ১৩ জানুয়ারি দুপুরে নিজবাড়ি থেকে ছেলেকে বিকাশে টাকা পাঠানোর জন্য, ছোট কুতুবপুর বাজারে যায় ৭০ বছর বয়সী ফজিলাতুন্নেছা।
এরপরে বাড়িতে ফিরে না আসায় অনেক খোঁজা খুঁজি করে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে শিবচর থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি করে নিহত ফজিলাতুন্নেছার স্বজনরা, নিহতের নিখোঁজের ১০দিন পর ২২ জানুয়ারি বুধবার বিকেলে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের হোগলার মাঠে পাতা আনতে গেলে একটি বস্তার মুখ রশি বাঁধা অবস্থায় দেখলে সন্দেহ হয়।
পরে স্থানীয়রা শিবচর থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে রেখা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে শিবচর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার রাতে আটক করা হয় সোহাগ হাওলাদারকে। এসময় উদ্ধার করা হয় নিহতের সাথে থাকা মোবাইল ফোন, স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল। পরে সোহাগকে শুক্রবার দুপুরে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম আরো বলেন, নগদ টাকার প্রলোভনে হত্যাকারী সোহাগ আগে থেকে ওথ পেতে থাকে। পরে বৃদ্ধার গলায় স্বর্ণের চেইন দেখে লোভ হয় তার। তখন তাৎক্ষনিক শ্বাসরোধ করে হত্যার পরে বস্তাবন্দি লাশ রশি দিয়ে বেঁধে বাগানে ফেলে দেয় এ ব্যাপারে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।