
পলাশ তালুকদার, গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি:-
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বরিশালের গৌরনদীতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে সরকারি গৌরনদী কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) হিউম্যান ফর হিউম্যানিটি ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বার্তা ছড়িয়ে দেন।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন হিউম্যান ফর হিউম্যানিটি ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি লায়ন দিদার সরদার। অভিযানে কলেজ ক্যাম্পাস ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কারের পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাড়ির আঙিনা, নালা-নর্দমা, পরিত্যক্ত টায়ার, ফুলের টব ও বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণের মাধ্যমে মশার বংশবিস্তার রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সরকারি গৌরনদী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র ভূঞ্জমালী , সাপ্তাহিক গৌরনদী পরিক্রমার সম্পাদক ও গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, সাধারণ সম্পাদক এস এম জুলফিকার, সহকারী অধ্যাপক মো. মহসিন মোল্লা, সহকারী অধ্যাপক মো. ইমরান, মোঃ ইউনুস আলী, প্রভাষক মোছা. মুরশিদা খানম, মমতাজ খানম, মিঠুন কুমার চক্রবর্তী, আব্দুর রহমান, মো. রাকিবুল ইসলাম ।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি এ আলম, লিটন খান, এ এস মামুন, পলাশ তালুকদার ও নাইমুল ইসলাম; গৌরনদী উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. আল আমিন মোল্লা; সরকারি গৌরনদী কলেজ শাখার ছাত্রদলের সভাপতি তানভীর হাসান তানিম, সদস্য সচিব মো. মুন্না খান এবং রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভার মেট মো. তাসিন ইসলামসহ রোভার স্কাউটের সদস্য ও শিক্ষার্থীরা।
অভিযানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আতঙ্ক নয়, বরং সচেতনতা ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতাকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা তুলে ধরা হয়। জ্বর দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা ছাড়া ওষুধ সেবন না করার বিষয়েও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তুলতে এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। সম্মিলিত সচেতনতা, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মধ্য দিয়েই ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমিয়ে একটি সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।