1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপিত - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| রাত ১২:৫৯|
সংবাদ শিরোনামঃ
গৌরনদীতে ডিজেল-পেট্রোল অবৈধভাবে মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির দায়ে, জরিমানা যুব কল্যাণ ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে নববর্ষকে ঘিরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। গৌরনদীতে হিট স্ট্রোকে একজনের মৃত্যু ‎গৌরনদীতে বোতলজাত তেল ভরতে গিয়ে বাইকে আগুন, বাইকার দগ্ধ গৌরনদীতে ২৫ পিচ ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক সম্রাট শাওন দেওয়ান গ্রেফতার। দেবীগঞ্জ-ডোমারে দুর্ভোগে অটোচালকরা, চাঁদাবাজি বন্ধে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের জরুরি পদক্ষেপের দাবি নড়াইলের কালিয়ায় অস্ত্রের মুখে তাণ্ডব, এক বছরে ৭ বার লুটে নিঃস্ব গ্রাম পুলিশ নির্মল বিশ্বাস কালিয়ায় দুই শিক্ষককে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা গৌরনদী প্রেসক্লাব সভাপতিকে হত্যার হুমকি: গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দূর্গাপুরে ৬ বছর ধরে নিখোঁজ সাংবাদিক পিতা, মাওলানা আতাউর রহমান আক্তার

রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপিত

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

সোহেল রানা রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানঃ-আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর ১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি জাতি অর্জন করে মহান বিজয়। পৃথিবীর মানচিত্রে খচিত হয়Ñ বাংলাদেশ। তাই আজকের এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাব-গাম্ভীর্যের সঙ্গে উদ্যাপন করে বাঙালি জাতি। সারাদেশের মতো রাজশাহীতেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদ্যাপন করা হয় মহান বিজয় দিবস।

এ উপলক্ষ্যে শনিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জেলা পুলিশ লাইন্সে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির কার্যক্রম শুরু হয়।

সকাল সাড়ে ৭টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরের শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আনিসুর রহমান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ, পুলিশ সুপার মো: সাইফুর রহমান, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর ও সংস্থার প্রধান, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণি-পেশার সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সকাল ৯টায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে বিভাগীয় কমিশনার প্রধান অতিথির বক্তৃতা রাখেন। ইতিহাসের মহানায়ক স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চারনেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহিদ ও ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, শহিদের আত্নত্যাগ কখনো বৃথা যায় না। শহিদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে আমাদের মহান বিজয়। তাঁরা আমাদেরকে বিশে^র দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার পথ তৈরি করে দিয়ে গেছেন।

ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে অকুতোভয় বাঙালি জাতি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তির মূলমন্ত্রে। ১৯৭১ সালে আজকের এই দিনে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় বাঙালি জাতির দীর্ঘদিনের আকাক্সিক্ষত ও গৌরবান্বিত বিজয়। সেইসঙ্গে অবসান হয় বাঙালি জাতির ২৩ বছরের শোষণ ও বঞ্চনার। এই বিজয় শাসকের বিরুদ্ধে শোষিতের, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের, বঞ্চনার বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের এবং মিথ্যার বিরুদ্ধে সত্যের।

তিনি বলেন, মুক্ত বাঙালি জাতি ধীরে ধীরে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ উন্নয়নের মহাযাত্রায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশে^র দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে। মহান বিজয়ের ৫৩তম বছরে এসে আমরা বেশকিছু গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছি। বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ হতে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ এখন পৃথিবীর ৩৫তম অর্থনীতির দেশ।

মেগাপ্রকল্পগুলো তুলে ধরে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বাংলাদেশে এখন শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছে। দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। আমরা পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল করতে পেরেছি। ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জমিসহ ঘর প্রদান করে ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশে^ বিরল নজির গড়েছেন।

এ সময় তিনি বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় মনোনিবেশের আহ্বান জানান।

এদিকে শনিবার দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং বিজয় দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আনিসুর রহমান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ, পুলিশ সুপার মো: সাইফুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল হাদী, প্রফেসর (অব.) ড. মু. শামসুল আলম, বীর প্রতীক বক্তৃতা করেন।

ওই অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, পৃথিবীতে ১০টি দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশ একটি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পৃথিবীতে আলোরণ সৃষ্টি করেছিল একটি কারণেএটা ছিল জনযুদ্ধ। আজ আমরা যে স্বাধীন দেশ দেখছি এর ইতিহাস অনেক নির্মম। ৩০ লাখ শহিদ ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। ৩০ লক্ষ শহিদের দেহগুলো যদি একটার পর একটা রাখা হতো ৭২০ কি.মি. দীর্ঘ হতো এবং একটার উপর আরেক একটা রাখলে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চেয়ে বেশি উঁচু হতো। তাঁদের রক্তগুলো একত্রিত করলে দেড় কোটি লিটার হতো পদ্মা নদীতে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ পানি প্রবাহিত হয় তার সমান। এই শহিদরা যদি হাতে হাত রেখে দাঁড়াতো তাহলে ১১’শ কি.মি. হতোÑ যা টেকনাফ থেকে শুরু করে তেঁতুলিয়া পার হয়ে যেত।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের প্রতিটি ধূলিকণার সঙ্গে শহিদের রক্ত মিশে আছে। আমাদের কর্মে, আচরণে আমরা যদি তা মনে রাখি তা হলে আমরা অন্যায় বা খারাপ কিছু করতে পারব না। তিনি সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সভার শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।শনিবার সুবিধামতো সময়ে, হাসপাতাল, জেলখানা, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধাশ্রম, ছোট মনিনিবাস; অন্ধ, মূক ও বধির বিদ্যালয়, সেফ হোম, এসওএস

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com