1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
লাখো ভক্তের সমাগমে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল আটরশিতে শুরু হয়েছে মহাপবিত্র উরস শরীফ - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|
সংবাদ শিরোনামঃ
তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়িতে ভাজা ইলিশ আর রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত মার্কিন রাষ্ট্রদূত। যোগানিয়ায় প্রতিবন্ধীকে হুইলচেয়ার, শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ চিত্রশিল্পী ড. আব্দুস সাত্তারের হাতে সুলতান পদক তুলে দিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী বর্ণাঢ্য আয়োজনে এস এম সুলতানের ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী পালন নড়াইলে মাদক কারবারিদের হামলায় পুলিশের এস আই আহত  রামপালে সাংবাদিকদের সাথে ওয়ার্ল্ড ভিশন রামপাল কো অর্ডিনেশনের মতবিনিময় সভা গৌরনদীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে সাত বছরের মধ্যে ফলাফলে বড় ধরনের ধস রাজশাহী ব্যাটালিয়ন ১ বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে পৃথক অভিযানে ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল ও মাদকদ্রব্য জব্দ গৌরনদীতে দক্ষিণবঙ্গ সাহিত্য পরিষদের নতুন নেতৃত্বে পলাশ–মামুন উজিরপুরে সড়কের বেহাল দশা, সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী-এলাকাবাসীর অবরোধ

লাখো ভক্তের সমাগমে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল আটরশিতে শুরু হয়েছে মহাপবিত্র উরস শরীফ

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

মাসুদ রানা (কাইউম মুন্সী) নিজস্ব প্রতিনিধি মাদারীপুরঃ-

বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের মহামহিম প্রতিষ্ঠতা বিশ্ব ওলি হজরত শাহ সুফি খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু.ছে.আ.) কেবলাজান ছাহেবের মহাপবিত্র বিশ্ব উরস শরিফ শুরু হয়েছে।

সাম্য, শান্তি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রতিবছরের মত এবারও লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে শুক্রবার (১ জানুয়ারী) জুমার নামাজের বিশাল জামাতের পর বিশ্ব ওলি হজরত শাহ সুফি খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু.ছে.আ.) কেবলাজান ছাহেবের পবিত্র রওজা শরিফ জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে উরস শরীফ শুরু হয়।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার আটরশি গ্রামে অবস্থিত বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে চার দিনব্যাপী এই উরস শরীফের আনুষ্ঠানিক ভাবে-১০, ১১, ১২ ও ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উরস শরীফ উৎযাপনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই লক্ষ লক্ষ ভক্তবৃন্দ সমবেত হয়েছেন। আগামী মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারী ) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে পবিত্র ওরস সরিফের কার্যক্রম সমাপ্ত হয়। মহাপবিত্র বিশ্ব উরস শরীফ উপলক্ষে নান্দনিক সাজে সজ্জিত করা হয়েছে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল।

এই পবিত্র ওরশ শরীফে দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ আশেকান, জাকেরান, ধর্মপ্রাণ মুমিন মুসলমান ও ভক্তবৃন্দ সমবেত হচ্ছেন বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে। ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আজকার, মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও মোনাজাতসহ নানা ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিদিন রাত ৩টায় রহমতের সময় থেকে শুরু করে এশার নামাজের পর দয়াল নবীকে ৫০০ বার দূরুদ শরীফ নজরানা দিয়ে কর্যক্রম শেষ হয় বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের। দিনব্যাপি চলতে থাকে ধর্মীয় আলোচনা ও বিশেষ মোনাজাত।

বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের সুমহান প্রতিষ্ঠতা বিশ্ব ওলী হয়রত খাজাবাবা ফরিদপুরী ১৩৫৪ বাংলায় ফরিদপুরের সদরপুরে আটরশি গ্রামে আসেন।

আটরশির নিভৃত পল্লীতে জাকের ক্যাম্প স্থাপনের মাধ্যমে তিনি রাসুল (সাঃ) এর সত্য তরিকা প্রচার শুরু করেন। খাজাবাবা প্রথমে যেদিন আটরশিতে আসেন সেইদিন ছিল কোরবানীর ঈদের দিন। তিনি দেখলেন সেই ঈদের দিনে লোকজন লাঙ্গল-জোয়াল নিয়ে মাঠে যাচ্ছে। এই অঞ্চলে নামাজ ছিল না- ধনী, মানী, জ্ঞানী, গুণী লোক ছিল না। গরু কোরবানী হতো না। গরুর গোস্তকে এই এলাকার মোসলমানেরা অস্পৃশ্য মনে করত। ইসলাম কি-তারা জানত না। পার্শ্বেই ছিল হিন্দু জমিদারের বাড়ী। এই এলাকার মোসলমানগণ জমিদার বাড়ীর পূজায় অংশ গ্রহণ করত; পূজার প্রসাদ খাইত। তারা হিন্দুয়ানী রীতিকে ভালবাসিত।হিন্দুয়ানী রীতিতেই চলিত। ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধ তাদের কাছে অপরিচিত ছিল। আটরশির মত- গ্রাম বাংলাদেশে আর দ্বিতীয়টি ছিল না। সেই ঈদের দিনে তিনজন নিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করলেন খাজাবাবা। খোদাতায়ালার নিকট এই দু’আ করলেন, ‘‘হে খোদাতায়ালা!

এই যে তিন/চার জন আমরা ঈদের নামাজ পড়িলাম। দয়া করিয়া তুমি এখানে বিশাল ঈদের জামাত কায়েম কর।”মহান খোদাতায়ালার দয়ায় আজ এখানে বিশাল ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষ একসাথে নাজাম আদায় করে।

এই ফরিদপুর জেলার গেরদা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেছিলেন হযরত ফরিদপুরী (কুঃ) ছাহেবের দাদাপীর হযরত সৈয়দ ওয়াজেদ আলী (রহঃ)। তিনি সেখানে সত্য ইসলামের হিদায়াত করতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন এবং মনে কষ্ট নিয়ে কলকাতা চলে গিয়েছিলেন ফরিদপুর ছেড়ে।

তবে কলকাতা যাবার প্রাক্কালে তিনি ভবিষৎবাণী করে গিয়েছিলেন, “এখানে আমার গোলামের গোলাম আসবে যার সামনে কোন অপশক্তিই টিকবেনা।” সেই মহান বুযুর্গের গোলাম হযরত এনায়েতপুরী (কুঃ) এবং উনার গোলাম খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃ) সাহেব যিনি স্বীয় দাদাপীরের ভবিষ্যত বাণী অক্ষরে অক্ষরে সত্য প্রমাণিত করেছেন এবং হিদায়েতের বাণী প্রচারে, ইসলামের সত্য প্রচারে প্রতিষ্ঠা করেছেন বিশাল পুণ্য ভুমি “বিশ্ব জাকের মঞ্জিল”। তিনি রাসুল (সাঃ) এর আদর্শে আদর্শবান হয়ে গড়েছিলেন নিজের জীবনকে, নিজের পীরের সংস্পর্শে সুদীর্ঘ ৪০ বছর সাধনা করেন। তিনি ছিলেন রাসুল (সাঃ) এর সুন্নতের পরিপূর্ণ অনুসারী, জীবনযাত্রা ছিল রাসুল (সাঃ) এর চরিত্রের বাস্তব চিত্র।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com