
ইনসান বেপারী, মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ-
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মাহাবুল ফকিরের সমর্থকদের একাধিক বসতঘরে হামলা,ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ পান্নু খান ও জসিম খানের লোকজনের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের উত্তর কাউয়াকড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সুত্রে জানা’যায়,মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের উত্তর কাউয়াকড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মাহাবুল ফকির, জসিম খান ও পান্নু খানের লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
এই বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাহবুব ফকির ও জসিম ফকিরের লোকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ রয়েছে,প্রথমে মাহবুব ফকিরের লোকজন জসিম খানের বাড়িতে হামলা চালায়।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকালে জসিম খান ও পান্নু খানের সমর্থকরা একত্রিত হয়ে সোহাগ মাতব্বর,মিনার মাতুব্বর,সালাম মাতুব্বর ও সালমান মাতুব্বরের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবার। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ১৫ জন আহত হয়েছেন।
হামলার শিকার সোহাগ মাতুব্বরের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন,”দীর্ঘদিন ধরে পান্নু খান,জসিম খান,ইলিয়াস চৌকিদার,ওমর আলী, লিটু মাতুব্বর,জলিল মাতব্বর ও এনামুল মাতব্বরের নেতৃত্বে ৩ থেকে ৪০০ লোক আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। আমরা এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার দাবি করছি।”
পাল্টা অভিযোগে জসিম খান বলেন,তাদের বাড়িতে হামলার ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। মাহাবুল ফকির ও তার লোকজন গতকাল রাতে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছিল। সেই অপরাধ ঢাকতে এবং নিজেদের রক্ষা করতেই তারা নিজেরাই নিজেদের বাড়িঘরে ভাঙচুর চালিয়ে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
এবিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, হামলার ঘটনা শুনেছি,ওই ঘটনার অভিযোগ এখনো পাইনি,অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হব।