1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
গৌরনদীতে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতি রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা \ বিক্ষুব্ধ স্বজনদের ক্লিনিকে হামলা ভাঙচুর - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| বিকাল ৫:৫১|
সংবাদ শিরোনামঃ
১৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল সফর, সূচনা গৌরনদীর বাটাজোরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে দেবীগঞ্জে প্রবল বৃষ্টিতে খুটামারা– প্রধানপাড়া সংযোগ সড়কের কালভার্ট ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। কালিয়ার নড়াগাতীতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন মাদারীপুরে প্রথম আলোর সাংবাদিক অজয় কুন্ডু ও তার পরিবার সম্পর্কে সত্য তথ্য প্রকাশ রথযাত্রা ও উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে নড়াইল জেলা বিএনপির বিশেষ নির্দেশনা চারঘাটে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি দেবচন্দ্র গ্রেফতার সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি দাবি গৌরনদীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলে ওয়ান শুটার গান, গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটক- ১ শিবগঞ্জে ৯২ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার* র‍্যাব-৫ এর অভিযানে আটক ১

গৌরনদীতে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতি রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা \ বিক্ষুব্ধ স্বজনদের ক্লিনিকে হামলা ভাঙচুর

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪০৮ বার পড়া হয়েছে

প্রতিদিনের ক্রাইম নিউজ ডেস্ক, বরিশাল গৌরনদীঃ-

বরিশাল জেলার গৌরনদীতে ভুল চিকিৎসায় সিজারিয়ান অপারেশনে সাথি আক্তার পরী (২২) নামে এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যু’র অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোগীর মৃত্যুর পর ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।

এ সময় উত্তেজিত জনতা ক্লিনিক ভাঙচুর করেছে। শনিবার রাতে উপজেলার বাটাজোর হাট এলাকার মদিনা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পরী পাশর্^বর্তী উজিরপুর উপজেলার ভরশাকাঠি গ্রামের ইমন আকনের স্ত্রী।এ ঘটনায় নিহত সাথী আক্তার এর স্বামী ইমন আকন বাদি হয়ে রোববার সকালে ৪ জনের নামউল্লেখসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে গৌরনদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

নিহতের স্বামী ইমন আকন এজাহারে বলেন, তার স্ত্রীর প্রসব বেদনা শুরু হলে শনিবার বেলা ১১টার দিকে গৌরনদীর বাটাজোর মদিনা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করেন।

এরপর ক্লিনিকের কর্তব্যরত ডা. রাজিব কর্মকার তার পুত্রবধুকে ৫ হাজার টাকার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার করায়। পরীক্ষা নিরীক্ষার রিপোর্ট দেখে ডা, রাজিব জানান, পরীর নরমাল ডেলিভারি হবেনা, তাকে সিজার করানো লাগবে। তিনি সিজার করাতে আপত্তি জানালে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বরিশাল থেকে অভিজ্ঞ চিকিৎসক এনে অপারেশন করানোর আশ্বাস দেন।তিনি (স্বামী) অভিযোগ করে আরো বলেন, শনিবার ‘বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অপারেশনের ডা. সমিরন হালদার অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে এক ঘণ্টা পর সিজার সম্পন্ন করে দ্রুত চলে যায়। নবজাতককে আমাদের কোলে দেওয়া আধাঘণ্টা পর নবজাতকের মা পরীকে বেডে নিয়ে আসে নার্সরা। তখন পরীর শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল ও শরীর সম্পূর্ণ সাদা দেখা যায়। এসময় কর্তৃপক্ষকে রোগীর স্বজনদের জানায় ক্লিনিকে অক্সিজেন সিলিন্ডাার নেই, বাহির থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডাার আনতে হবে। এরপর একজন স্টাফ অক্সিজেন সিলিন্ডার আনতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। পরীর অবস্থা আরও খারাপ হলে চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে ডা. রাজিব কর্মকার এসে পরীকে পরীক্ষা করে কোনো কথা না বলে দ্রুত বের হয়ে যান। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ক্লিনিকের সব স্টাফ পালিয়ে যায়। আমরা তখন পাশের একটি ক্লিনিক থেকে এক জন ডাক্তার ডেকে আনলে পরীক্ষা করালে তিনি জানান, পরী মারা গেছে।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা ক্লিনিকে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিবারের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, ‘ডাক্তারের অবহেলা, উদাসীনতা, ক্লিনিকে পর্যাপ্ত জরুরি সরঞ্জাম না থাকার কারণে অপারেশনের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা না পাওয়ায় পরীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে নিহতের স্বজনরা জানান। এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য অভিযুক্ত ডা. সমিরন হালদারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ক্লিনিকের কর্তৃপক্ষ গা ঢাকা দেয়ায় তাদের বক্তব্যও পাওয়া সম্ভব হয়নি।

গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় নিহত সাথী আক্তার পরীর স্বামী ইমন আকন বাদি হয়ে মদিনা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মালিক এনামূল হক ডালিম, ডা. সমিরন হালদার, ডা. রাজিব কর্মকার সহ ৪ জনের নামউল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে গৌরনদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারের জোর প্রচেষ্টা চলছে।’ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা, মো. সাহতা জারাব সালেহিন বলেন, ‘বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আমার জানামতে ওই ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়ন নেই। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com