
মোঃ হেমায়েত হোসেন খান,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ-মাদারীপুরে জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে কিশোর গ্যাং-এর দুইগ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয়েছে অন্তত তিনজন। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটে।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করেছে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ। শুক্রবার রাত সোয়া ৯টার দিকে শহরের শকুনী লেকের দক্ষিনপাড়ে জেলা প্রশাসকের বাস ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সন্ধ্যায় চাচাতো ভাই সাব্বিরকে সঙ্গে নিয়ে শকুনী লেকেরপাড়ে ঘুরতে আসে মধ্য হাউসদি এলাকার সেলিম শিকাদারের ছেলে সিফাত শিকদার (১৫)। এ সময় ডিসিব্রিজ এলাকার মাহিম নামে এক কিশোরের শরীরের ধাক্কা লাগে সিফাতের গায়ে।
এ নিয়ে সিফাত ও মাহিমের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে উভয়ের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জেলা প্রশাসকের বাসভনের সামনে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।এতে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ দুইজনকে আটক করে পুলিশ।সংঘর্ষে একাধিক ককটেল বিস্ফোরন এর শব্দে, জেলা জামে মসজিদের ভিতরে নামাজরত মুসল্লীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। এদিকে জামে মসজিদের সামনে পার্কিং করা একটি প্রাইভেটকারও ভাংচুর করেছে কিশোর গ্যাং-এর সদস্যরা।
কয়েকজন মুসল্লী জানান, হঠাৎ বৃষ্টির মতো ককটেল বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটে। নামাজরত অবস্থায় শত শত মুসল্লীর মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনার দোষিদের বিচার না হলে এমন ঘটনা ভবিষ্যতে আরো ঘটতে পারে।
মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতলের মেডিকেল অফিসার ডা. সিহাব চৌধুরী বলেন, মারামারির ঘটনায় মাহিম শেখ নামে আহত একজন জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পরে পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নিয়ে যায়।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ.এইচ.এম সালাউদ্দিন জানান, কিশোর গ্যাং-এর দুইপক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এই ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।