
আবুল কালাম আজাদ রানীশংকৈল প্রতিনিধিঃ-ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ওসি তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন এবং মোটা অংকের টাকা দাবি করেছেন।তাদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং তাদের জীবন হুমকির মুখে রয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। এই ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়ি পীরগঞ্জ উপজেলার পৌরসভা এলাকায় ৬ নং ওয়ার্ডের জগধা পশ্চিম পাড়ার গ্রামের মৃত মোবারক আলীর ছেলে মোস্তফা আলী ওরফে আকাশ। ভুক্তভোগী বলেন, আমার নাম সহ চারজনকে আসামি করে মিথ্যা ও বানোয়াট এজাহার দেন পীরগঞ্জ থানায়, ৪ মার্চ পীরগঞ্জ উপজেলার উত্তর বৈরচুনা গ্রামের খতিব উদ্দিনের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম। পীরগঞ্জ থানার ওসি তাজুল ইসলাম সেই এজাহার তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেন এসআই হামিদুল ইসলামকে।হামিদুল ইসলাম মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। নগদ ৮ হাজার টাকা এসআই হামিদুলের হাতে দিয়ে বাদবাকি টাকা দিতে না পারায়, সেই এজাহার তদন্ত না করে ওসি মামলা রেকর্ড করেন। উক্ত মামলায় পাঁচজনকে সাক্ষী দেখানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। মামলার ৫ নাম্বার সাক্ষী মোঃ শাহজাহান আলী। শাহজাহান আলীর বাড়ি দেখানো হয়েছে পীরগঞ্জ উপজেলার ৭ নং হাজিপুর ইউনিয়নে এক নং ওয়ার্ডে। কিন্তু ৫ নম্বর সাক্ষীর বাড়ি, হচ্ছে রানীশংকৈল উপজেলার লেহেম্বা ইউনিয়নে। ভুক্তভোগী আরো বলেন, আমাকে ওয়ারেন্ট মামলায় গ্রেফতার করে, গ্রেফতারি চালান ফরওয়ার্ডিং পুলিশের উল্লেখ করে তাকে ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করা হয়, তাহলে আমাকে বিস্ফোরক মামলায় ফাঁসানো হয়েছে কেনো।বিস্ফোরণ মামলার বাদী এস আই মোঃ রেজা।আমি এখন আমার জীবন নিয়ে খুব টেনশনে আছি। ওসি তাজুল ইসলাম ও তদন্তকারী অফিসার হামিদুল ইসলাম দুজনেই আমাকে প্রাণ নাসের হুমকি দেয়। তাই জীবন রক্ষার্থে আমি ফেসবুক লাইফের মাধ্যমে সকলের সহযোগিতা কামনা চেয়েছি। এই মামলার এক নাম্বার আসামি মোখলেছুর রহমানের শ্বশুরবাড়ি দেখানো হয়েছে একান্নপুর বাগানবাড়ি থানা পীরগঞ্জ কিন্তু এক নম্বর আসামি মুখলেসুর এর শ্বশুর বাডী ৪ নং লেহেম্বা ১নং ওয়ার্ড কোচল মোঃ বাবুল হোসেনের মেয়ে পারুলকে বিয়ে করেন তার শ্বশুর বাড়ি ৪নং লেহেম্বা ১নং ওয়ার্ড কোচল গ্রামে। এই মর্মে সেই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু কালাম প্রত্যায়ন পত্র দিয়েও মামলা থেকে রেহাই পাই নাই ।
মামলার ৫ নম্বর সাক্ষী শাহজাহান আলী এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই মামলার সম্পর্কে যতটুকু জানি এই ঘটনা আমার ৪নং লেহেম্বা ১নং ওয়ার্ডে রাণীশংকৈল উপজেলায়।অথচ আমার ঠিকানা সম্পূর্ণ মিথ্যা দিয়েছে।আমি রানীশংকৈল উপজেলার লেহেম্বা ইউনিয়নের একজন ইউপি সদস্য। আমাকে মিথ্যাভাবে ৫১পুর বাগানবাড়ি পীরগঞ্জ থানাধীন ইউপি সদস্য বানিয়ে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ওসি তাজুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমরা তদন্ত সাপেক্ষে মামলার রেকর্ড করেছি। তাকে কোন আমরা ভয়-ভীতি দেখায়নি, যা বলছে সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ।
উক্ত বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন,যদি কোন তদন্ত ছাড়া মামলা হয়, কোন হুমকি প্রদান করেন, টাকা লেনদেনের প্রমাণ থাকে , বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।