
মো. হেমায়েত হোসেন খান,নিজস্ব প্রতিবেদক,মাদারীপুরঃ-
সারা দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের প্রাণের মিলনায়তনে পরিণত হওয়া অত্যন্ত আড়ম্বরপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে রাজধানী ঢাকার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’-র উদ্যোগে আয়োজিত ঐতিহাসিক জাতীয় সাংবাদিক সমাবেশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) আয়োজিত এই মহাসমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সাংবাদিকদের সাথে স্বতঃস্ফূর্ত ও গৌরবোজ্জ্বল অংশ নিয়েছে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, মাদারীপুর জেলা কমিটির গণমাধ্যম কর্মীগরা।
এ সমাবেশে মাদারীপুর জেলা থেকে আসা একটি শক্তিশালী ও সক্রিয় প্রতিনিধি দলের এই অংশগ্রহণ স্থানীয় সাংবাদিকদের পারস্পরিক ঐক্য এবং সংগঠনের প্রতি তাদের অকৃত্রিম দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
সমাবেশে যেসব বিষয়ে জোরালো দাবি ও প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে তাহার মধ্যে রয়েছে সাংবাদিকদের অধিকার ও সুরক্ষা: পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের সার্বিক নিরাপত্তা এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানানো হয়।
বস্তুনিষ্ঠ ও স্বাধীন সংবাদ পরিবেশনে গণ-মাধ্যম
কর্মীদের আরও বেশি পেশাদার ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো এবং সাংবাদিক ঐক্য: সারা দেশের সাংবাদিকদের এক সুতোয় গেঁথে তাদের নায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে আরও বেগবান করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
মাদারীপুর জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি ফাইজুল শরীফ সমাবেশে সংগঠনের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন—সাংবাদিকরা জাতির বিবেক এবং রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। অথচ আজ পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মফস্বলসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত নানা বাধা ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন।
সাংবাদিকদের পূর্ণ নিরাপত্তা, আইনি সুরক্ষা এবং পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত না হলে প্রকৃত গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা মুখ থুবড়ে পড়বে। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার এই জাতীয় সমাবেশ সারা দেশের সাংবাদিকদের মধ্যে যে ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে, তা আমাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে আরও বেগবান করবে।
তিনি আরো বলেন,মাদারীপুর জেলার সাংবাদিক সমাজ সবসময় ন্যায়, সত্য ও পেশাদারিত্বের পক্ষে অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে যাবে।”
দেশের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের সার্বিক কল্যাণে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার এই মহা-সমাবেশ একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। মাদারীপুর জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ স্থানীয় সাংবাদিকদের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় অঙ্গনে আরও বেশি শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করবে বলে আশা সংশ্লিষ্ট মহলের।