
মোঃ আকাশ উজ্জামান শেখ, রামপাল প্রতিনিধিঃ-
বাগেরহাটের মোংলায় খেয়াঘাটে নৌকা পারাপারকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ জাহিদ শেখ’কে অফিস থেকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী নির্যাতন ও টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মোংলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি বা অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রবিবার (১৭’মে) সকালে উপজেলার সোনাইলতলা ইউনিয়নের ৭’নং ওয়ার্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্তরা অতর্কিতভাবে অফিসে ঢুকে তাকে লাঠিসোঁটা নিয়ে মারতে থাকে এবং সবার সামনেই তাকে জোরপূর্বক মারতে মারতে তুলে নিয়ে যায়। প্রকাশ্যে এমন নির্যাতন ও টাকা লুটের ঘটনায় এলাকার মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আহত ব্যক্তি ও স্বজনেরা জানান, নুরু শেখ নামের এক নৌকা মাঝি মহিলা দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত গাঁজা ও ইয়াবা পারাপার করে এ বিষয়ে স্থানীয় এক মাস্টার থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন, অভিযোগ দায়েরের পরবর্তীতে ওসি সাহেব ডেকে বলছেন যে তোমার ওর্য়াডের মধ্যে ওই লোক আকাম কুকাম করে তাই ওখানে ওই অন্য নৌকা মাঝি দিতে হবে। আর আমি ওখানে অন্য এক নৌকা মাঝি দিয়ে অফিসে আসছি, আসার পরে মজ্জেন শেখ, জাহাঙ্গীর শেখ, তারিকুল শেখ, রফিকুল শেখ, রিপন শেখ, মহব্বুল শেখ ও রেজো শেখ’ সহ একাধিক ব্যক্তি লাঠি সোটা নিয়ে বিএনপির অফিস থেকে বার করে রাস্তা থেকে মারতে মারতে ৮’নং ওর্য়াডে নিয়ে যায় আর পার্শ্ববর্তী নির্যাতন করে, আর মজ্জেন নামের এক ব্যক্তি তার পকেট থেকে কাঁকড়া বিক্রয়কৃত আড়াই লক্ষ টাকা লুট করে নেয়। জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে আমাদের পোর্স ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে।
বর্তমানে আহত ব্যক্তি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং লুণ্ঠিত টাকা দ্রুত উদ্ধারের জোর দাবি জানিয়েছেন।