1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
পঞ্চগড়ে স্কুল ছাত্র হত্যা মামলায় তিনজনের ফাঁসি। - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|
সংবাদ শিরোনামঃ
রেশম কারখানায় নেতাগিরি চলবে না: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে প্রস্তুতি, মাদ্রাসা মাঠ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক দেবীগঞ্জে পূজার আনন্দে সড়কে দুর্ঘটনার শঙ্কা, ঝুঁকিতে দর্শনার্থীরা সোনালী ব্যাংক গৌরনদী শাখার অভাবনীয় সাফল্য, শ্রেষ্ঠ শাখা ব্যবস্থাপক নির্বাচিত সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন মিয়ার বড় বোনের মৃত্যু জহির উদ্দিন স্বপনের শোক গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় কাতার প্রবাসী নিহত নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যা: বিএমএসএফের তীব্র প্রতিবাদ, দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় রাজশাহীতে ১৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, প্রস্তুত আরও ২ প্লাটুন রাজশাহী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে: ইউএনও সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে দেবী দুর্গার আদর্শ

পঞ্চগড়ে স্কুল ছাত্র হত্যা মামলায় তিনজনের ফাঁসি।

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৪০ বার পড়া হয়েছে

মোমিন ইসলাম সরকার,পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ- পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় স্কুলছাত্র আসাদুজ্জামান পায়েল হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস. এম রেজাউল বারী এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের বলরামপুর তাতীপাড়া গ্রামের মহির উদ্দীনের ছেলে নুরুজ্জামান (৩৮), ডাহেনাপাড়া গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে ফরহাদ হোসেন (৩০) এবং বলরামপুর গ্রামের রশিদুল ইসলামের ছেলে হাসানুল ইসলাম (৩২)। তাদের মধ্যে নুরুজ্জামান ও হাসানুল পলাতক রয়েছেন।

জানা যায়, হত্যার শিকার আসাদুজ্জামান পায়েলের বাড়ি দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের বলরামপুর তাতীপাড়া গ্রামে। ২০১৫ সালের ১৮ জুন রাতে নিখোঁজ হন পায়েল। নিখোঁজের চারদিন পরে বিকেলে বাড়ির এক কিলোমিটার দূরের একটি ডোবা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিনজনকে আটক করে পুলিশ। ওই দিনই মামলা দায়ের করেন পায়েলের বাবা সুলতান আলী। পায়েল স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, পায়েল নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে ফোন আসে বাবা সুলতান আলীর কাছে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বিকৃত কণ্ঠে পায়েলের মুক্তিপণ বাবদ তিনলাখ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু টাকা নিয়ে কোথায় যেতে হবে তা জানানো হয়নি। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে অপহরণে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় ওই তিনজনের। স্থানীয়ভাবে বসে ওই তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেন। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ডোবা থেকে বস্তাবন্দি পায়েলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ওই তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। একই বছরের ৩১ আগস্ট পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচার কাজ শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পায়েল হত্যা মামলার ন্যায় বিচারের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিল ভিকটিমের পরিবার। দীর্ঘদিন পরে হলেও আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com