
এ,এস,মামুন স্টাফ রিপোর্টারঃ-
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই সারা দেশের ন্যায় বরিশালের গৌরনদীতেও শুরু হয়েছে পৌর নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতি।বরিশালের পৌরসভা গুলোতে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। তবে গৌরনদীর পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড ৭,৮,৯ এর সম্ভাব্য সংরক্ষিত কাউন্সিল প্রার্থী হিসেবে বর্তমানে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন বরিশাল উত্তর জেলা মহিলা দলের নেত্রী ও বিশিষ্ট সমাজসেবিকা ওজুফা নাসির
তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মতে, বিরোধী আমলে আন্দোলন থেকে শুরু করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা সবক্ষেত্রেই মাঠে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এই নেত্রী । তার পরিশ্রমী সাংগঠনিক তৎপরতা এবং সাহসিকতা রাজনৈতিক মহলে তাকে বিশেষ পরিচিতি এনে দিয়েছে।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও ওজুফা নাসির একজন অসহায়, অবহেলিত, সাধারণ মানুষের কাছে নিবেদিতপ্রাণ ও সমাজকর্মী।
এলাকায় অসহায় মানুষের জন্য চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা এবং সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে তিনি দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা ও মানবিক কার্যক্রমে তার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তাকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে।
গৌরনদী পৌরসভায় সৎ, সাহসী ও মেধাবী নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। ওজুফা নাসিরের মতে পৌর নির্বাচনে আমূল পরিবর্তনের জন্য সৎ ও যোগ্য মানুষকে বেছে নেয়া এখন সময়ের দাবি।
পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে আরও সময় বাকি থাকলেও গৌরনদী পৌরসভার ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের পাড়া মহল্লায় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ওজুফা নাসির। সাধারণ ভোটারদের সামাজিক দায়বদ্ধতা তাকে একজন সফল ও জনবান্ধব সংরক্ষিত কাউন্সিলর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
স্থানীয়রা বলছেন, গৌরনদী পৌরসভার ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের উন্নয়নের ধারাকে বেগবান করতে এবং একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে ওজুফা নাসির হতে পারেন সুযোগ্য জনপ্রতিনিধি।
ওজুফা নাসিরের নির্বাচনী ইশতেহার :
নাগরিক সেবা ও স্বচ্ছতা:-
* দুর্নীতি ও দালাল মুক্ত সেবা প্রদান নাগরিক সনদ অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে জন্ম নিবন্ধন, মৃত সনদ ও নাগরিক সনদ প্রদানসহ সকল ধরনের সরকারি ভাতা, সহায়তা ও ত্রাণ বিতরনে বদ্ধপরিকর।
* শতভাগ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকরণ।
* বয়স্ক ভাতা মাতৃত্বকালীন ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান।
মাদক ও চাঁদাবাজ মুক্ত ওয়ার্ড গঠন:-
* জনগনের সেবা করার পাশাপাশি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।
* মাদক, দূর্নীতি, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে থাকবে জিরো টলারেন্স।
* সৎ যোগ্য ব্যক্তিদের সম্পত্তি করে সামাজির ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড কে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত।
অবকাঠামোগত উন্নয়ন:-
* রাস্তাঘাট, ড্রেন, কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কারের ব্যবস্থা করবো।
* অনুন্নত ও দূর্গম এলাকায় নতুন রাস্তা পাঁকা করার ব্যবস্থা।গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের ব্যবস্থা।
শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন:-
* সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা বাধ্যতামূলক এই স্লোগানকে বাস্তব করতে গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তী’র ব্যবস্থা।
* শিশুদের খেলাধুলার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলা।
* প্রতিবন্ধী ও প্রবীন নাগরিকদের জন্য বিশেষ সহায়তা প্রদানের সু-ব্যবস্থা।
কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন:-
* কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ সবার আগে বাংলাদেশ তাই
* কৃষকের জন্য সকল ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা।
* কৃষকের উৎপাদিত কৃষিজাত পন্য ও বীজ এবং কিটনাশকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করনের ব্যবস্থা।
* কৃষি কাজে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহের উদ্যোগ গ্রহণ।
আইন-শৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তা:-
* ইভটিজিং, মাদক ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
* চুরি-ছিনতাই রোধে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন।
জবাবদিহিতা ও সু-শাসন প্রতিষ্ঠা:-
* প্রতি তিন মাস অন্তর উন্মুক্ত জনসভা।
*ওয়ার্ড উন্নয়ন বাজেট জনগনের সামনে প্রকাশ।
* নাগরিকদের মতামতের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার প্রকল্প নির্বাচন।
* অভিযোগ নিস্পত্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারন করা।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী।