1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
সাদিয়া-রুনার একসঙ্গে অনশন, বিয়ে হলো শাহীনের যার সঙ্গে - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| রাত ১০:৩৭|
সংবাদ শিরোনামঃ
গৌরনদীতে নকল স্বর্ণের বারসহ যুবক আটক, পুলিশের হাতে সোপর্দ উজিরপুরে মাদকাসক্ত ছেলের দেওয়া আগুনে একটি পরিবারের স্বপ্ন পুরে ছাই। প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি। লালপুরে শিশু-নারী ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে র‍্যালি ও মানবন্ধন ঈদুল আযহা উপলক্ষে নড়াইলবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন জননেতা আলহাজ্ব বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম নড়াগাতী থানা বিএনপির পক্ষ থেকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ,অটোচালকের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার গৌরনদীতে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি কর্মশালা সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে গেলেন জিএম আব্দুর রব ‎গৌরনদীতে সড়ক দুর্ঘটনা: নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ৫ জন আহত

সাদিয়া-রুনার একসঙ্গে অনশন, বিয়ে হলো শাহীনের যার সঙ্গে

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে

বিয়ের দাবিতে একসঙ্গে দুই তরুণী অনশন করেছেন। এরমধ্যে অনশনে বসা রুনা নামে একজনকে দুই লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে করলেন শাহীন। রোববার (৩ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টায় ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাপাশাটিয়া ইউনিয়নের বিবাহ রেজিস্ট্রার আজিজুর রহমান মিনুর বাড়িতে রুনা ও শাহীনের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

শাহীন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের গাগান্না গ্রামের ইকরামুল হকের ছেলে। আর রুনা হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাপাশাটিয়া ইউনিয়নের ঘোড়াগাছা গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে।

এলাকাবাসী জানায়, গতকাল রাতে পাশের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কাপাশহাটিয়া ইউনিয়নের এক তরুণী বিয়ের দাবিতে শাহীনের বাড়িতে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে জেলা সদরের বাসিন্দা আরেক তরুণী বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে আসেন। এক যুবকের বাড়িতে দুই তরুণীর অবস্থানের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

প্রায় দুই বছর ধরে এক তরুণীর সঙ্গে শাহীনের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। তাদের দুই পরিবার বিয়েতে রাজিও ছিল। কিন্তু একপর্যায়ে মেয়ের পরিবার বিয়েতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর পরিবার থেকে অন্যত্র বিয়ে দিতে গেলে ওই তরুণী পালিয়ে শাহীনের বাড়িতে গিয়ে উঠেন। অন্যদিকে দুই মাস হলো আরেক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শাহীনের। খবর পেয়ে তিনিও শাহীনের বাড়িতে যান বিয়ের দাবিতে।

শাহীনের চাচা শামছুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকেলে এই মেয়ে আসে বিয়ের দাবিতে। পরে আরেক মেয়ে এলে ঝামেলার সৃষ্টি হয়। এখন সব সমস্যার সমাধান করে প্রথমে যে মেয়েটি এসেছিল, রুনার সঙ্গে শাহীনের বিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শাহীন বলেন, প্রথমে রুনাকেই বিয়ে করতে চেয়েছিলাম। পরে সাদিয়া চলে আসায় সিদ্ধান্ত বদলাতে হয়। পরে যখন সাদিয়া স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে চলে যায় তখন রুনাকে বিয়ে করতে আর কোনো বাধা থাকে না। তারপরও সামাজিক অনেক ঝামেলা পেরিয়ে রাত ১১টায় রুনাকে বিয়ে করি।

রুনা বলেন, আমি প্রথম থেকেই শাহীনকে ভালোবাসি। তাকেই বিয়ে করতে চেয়েছিলাম। পরে ওই মেয়ে এলে সমস্যা দেখা দেয়। ওই মেয়ে চলে যাওয়ায় আমাদের দুজনের বিয়েতে আর কোনো বাধা থাকে না। আমি শাহীনকে বিয়ে করতে পেরে আমার ভালোবাসা শতভাগ খাঁটি বলে মনে করছি।

স্থানীয় হলিধানী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সন্তোষ কুমার বলেন, রাতেই একজনকে শাহীন বিয়ে করেছে। পরে এলাকাবাসীর মধ্যস্থতায় আরেক তরুণী বাড়ি ফিরে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com