1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
রাজশাহীতে ঋণের দায়ে চার মৃত্যু, ধার করে চল্লিশা - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|
সংবাদ শিরোনামঃ
মঞ্চে মুরুব্বিরা, পেছনে প্রার্থী—গৌরনদীতে ব্যতিক্রমী নজির গড়লেন কাফী তেরখাদা উপজেলায় মানবপাচার প্রতিরোধে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষের পরিচর্যায় হিউম্যান ফর হিউম্যানিটি আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ৭, রাজনৈতিক হয়রানির অভিযোগ বিগত সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে ব্যাপক লুটপাট চালানো হয়েছে- এমপি খোকন তালুকদার গৌরনদীতে ১০২ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার, মামলার আরও এক আসামি পলাতক। গৌরনদীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেবীগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত মাদারীপুরের ডাসারে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

রাজশাহীতে ঋণের দায়ে চার মৃত্যু, ধার করে চল্লিশা

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানঃ-

ঋণের দায়ে ও খাওয়ার অভাবে’ রাজশাহীর পবা উপজেলার বামনশিকড় গ্রামে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন মিনারুল ইসলাম।

মৃতদের জন্য শনিবার লাখ টাকা ধার করে চল্লিশা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন মিনারুলের বাবা রুস্তম আলী।

কেউ মারা গেলে ৪০ দিনের মাথায় করতে হয় ‘চল্লিশা’। কোনো কোনো এলাকায় এ অনুষ্ঠান ‘ফয়তা’ নামেও পরিচিত। সেখানে সমাজের মানুষ আমন্ত্রিত হন। দুপুরের খাবার খান। এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রুস্তম আলী এক হাজার ২০০ মানুষকে খাইয়েছেন।

গত ১৪ আগস্ট রুস্তম আলীর ছেলে মিনারুল ইসলাম (৩৫), তার স্ত্রী মনিরা খাতুন (৩০), ছেলে মাহিম (১৪) ও মেয়ে মিথিলা (৩) আত্মহত্যা করেন। মৃত্যুর আগে মিনারুল চিরকুটে লিখে গিয়েছেন- আমরা মরে গেলাম ঋণের দায়ে আর খাওয়ার অভাবে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাঈদ আলী মুর্শেদ বলেন, ইসলামের দৃষ্টিতে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজনের বিধান নেই; কিন্তু কেউ মারা গেলে এটা করতে হয়। এটা আমাদের এলাকার একটা প্রথা।

শনিবার দুপুরে বামনশিকড় গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ভ্যানে চড়ে দূরের গ্রাম থেকে আসছেন আত্মীয়স্বজনরা। আসছেন পুরো গ্রামের মানুষও। রুস্তম আলীর বাড়ির সামনে ও পেছনে দুটি প্যান্ডেল করা হয়েছে। প্যান্ডেলে বসে তারা খাচ্ছেন। ভাতের সঙ্গে ছিল ডাল ও মুড়িঘণ্ট। রুস্তম আলী ঘুরে ঘুরে সবকিছু দেখছিলেন। এর এক ফাঁকেই কথা হয় তার সঙ্গে।

রুস্তম আলী বলেন, এ অনুষ্ঠানকে কেউ চল্লিশা বলে, কেউ বলে ফয়তা। সমাজের মানুষকে নিয়ে এটা করতে হয়। বাপ-দাদার আমল থেকেই দেখে আসছি। আমিও মনের আবেগে করলাম। যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী করে। আমি গরিব মানুষ, মাংস করতে পারিনি। মাছ দিয়ে মুড়িঘণ্ট আর ডাল করেছি।

তিনি বলেন, আশপাশের মানুষজন বলছিল চারজনের মরার কারণে বাড়ি ভারি ভারি লাগছিল।ছোট ছিলেপিলেরা ভয় পাচ্ছিল। অনুষ্ঠানটা করলাম যাতে ভয় ভাঙে। বাড়ি যেন পাতলা হয়। এ কারণে দুপুরে দোয়া হয়েছে। তারপর খাওয়া-দাওয়া।প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হলো। আত্মীয়স্বজন ও সমাজের মিলিয়ে ১ হাজার ২০০ মানুষের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল।

টাকা জোগাড় হলো কিভাবে? জানতে চাইলে রুস্তম আলী বলেন, সবই ধার-দেনা। আমার তো জমানো টাকা নাই। শোধ করবেন কিভাবে? এ প্রশ্নে বললেন, ১৫-১৬ কাঠা জমি আছে। এক কাঠা বেচব, বেচে ধার শোধ করব। তাছাড়া তো আর কোনো উপায় নাই

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com