1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
পঞ্চগড়ে স্কুল ছাত্র হত্যা মামলায় তিনজনের ফাঁসি। - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| সকাল ৯:৫৩|
সংবাদ শিরোনামঃ
১৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল সফর, সূচনা গৌরনদীর বাটাজোরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে দেবীগঞ্জে প্রবল বৃষ্টিতে খুটামারা– প্রধানপাড়া সংযোগ সড়কের কালভার্ট ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। কালিয়ার নড়াগাতীতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন মাদারীপুরে প্রথম আলোর সাংবাদিক অজয় কুন্ডু ও তার পরিবার সম্পর্কে সত্য তথ্য প্রকাশ রথযাত্রা ও উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে নড়াইল জেলা বিএনপির বিশেষ নির্দেশনা চারঘাটে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি দেবচন্দ্র গ্রেফতার সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি দাবি গৌরনদীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলে ওয়ান শুটার গান, গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটক- ১ শিবগঞ্জে ৯২ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার* র‍্যাব-৫ এর অভিযানে আটক ১

পঞ্চগড়ে স্কুল ছাত্র হত্যা মামলায় তিনজনের ফাঁসি।

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২০৬ বার পড়া হয়েছে

মোমিন ইসলাম সরকার,পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ- পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় স্কুলছাত্র আসাদুজ্জামান পায়েল হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস. এম রেজাউল বারী এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের বলরামপুর তাতীপাড়া গ্রামের মহির উদ্দীনের ছেলে নুরুজ্জামান (৩৮), ডাহেনাপাড়া গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে ফরহাদ হোসেন (৩০) এবং বলরামপুর গ্রামের রশিদুল ইসলামের ছেলে হাসানুল ইসলাম (৩২)। তাদের মধ্যে নুরুজ্জামান ও হাসানুল পলাতক রয়েছেন।

জানা যায়, হত্যার শিকার আসাদুজ্জামান পায়েলের বাড়ি দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের বলরামপুর তাতীপাড়া গ্রামে। ২০১৫ সালের ১৮ জুন রাতে নিখোঁজ হন পায়েল। নিখোঁজের চারদিন পরে বিকেলে বাড়ির এক কিলোমিটার দূরের একটি ডোবা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিনজনকে আটক করে পুলিশ। ওই দিনই মামলা দায়ের করেন পায়েলের বাবা সুলতান আলী। পায়েল স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, পায়েল নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে ফোন আসে বাবা সুলতান আলীর কাছে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বিকৃত কণ্ঠে পায়েলের মুক্তিপণ বাবদ তিনলাখ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু টাকা নিয়ে কোথায় যেতে হবে তা জানানো হয়নি। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে অপহরণে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় ওই তিনজনের। স্থানীয়ভাবে বসে ওই তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেন। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ডোবা থেকে বস্তাবন্দি পায়েলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ওই তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। একই বছরের ৩১ আগস্ট পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচার কাজ শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পায়েল হত্যা মামলার ন্যায় বিচারের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিল ভিকটিমের পরিবার। দীর্ঘদিন পরে হলেও আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com