1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
দেবীগঞ্জে কেঁচো সার উৎপাদন করে স্বাবলম্বী কৃষক রাসেল প্রধান, - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| সকাল ৭:৫১|
সংবাদ শিরোনামঃ
১৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল সফর, সূচনা গৌরনদীর বাটাজোরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে দেবীগঞ্জে প্রবল বৃষ্টিতে খুটামারা– প্রধানপাড়া সংযোগ সড়কের কালভার্ট ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। কালিয়ার নড়াগাতীতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন মাদারীপুরে প্রথম আলোর সাংবাদিক অজয় কুন্ডু ও তার পরিবার সম্পর্কে সত্য তথ্য প্রকাশ রথযাত্রা ও উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে নড়াইল জেলা বিএনপির বিশেষ নির্দেশনা চারঘাটে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি দেবচন্দ্র গ্রেফতার সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি দাবি গৌরনদীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলে ওয়ান শুটার গান, গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটক- ১ শিবগঞ্জে ৯২ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার* র‍্যাব-৫ এর অভিযানে আটক ১

দেবীগঞ্জে কেঁচো সার উৎপাদন করে স্বাবলম্বী কৃষক রাসেল প্রধান,

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোমিন ইসলাম সরকার দেবীগঞ্জ পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ-পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় কেঁচো সার (ভার্মি কম্পোস্ট) উৎপাদন করে স্বাবলম্বী কৃষক রাসেল প্রধান(৩৫)। কেঁচো সার উৎপাদনের কেঁচো সার, উৎপাদিত রাসেল প্রধান এখন মাসে আয় করেন প্রায় ৩০-৩২ হাজার টাকা।

সরোজমিনে দেখা যায়,সম্প্রতি দেবীগঞ্জ উপজেলায় দেবীডুবা ইউনিয়নের সোনা পোতা গ্রামের কৃষক রাসেল প্রধানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির বাহির আঙ্গিনায় দোচালা পলিথিনের ঘর। ঘরের নিচে সিমেন্টের তৈরি ৩৭টি রিং স্ল্যাব।রিং স্ল্যাবে গোবর, মিশ্রণ করা হয়। সব রিং স্ল্যাবে ছেড়ে দেয়া হয় কেঁচো। তারপর চটের বস্তা দিয়ে রিং স্ল্যাব ঢেকে রাখা হয়।

কৃষক( উদ্যোক্তা)-০১ কৃষক (উদ্যোক্তা) রাসেলের বলেন প্রথমে রিং ও ঘর নির্মাণসহ মোট খরচ হয় প্রায় ৯ হাজার টাকা। পরে চাহিদা বেরে যাওয়ায় আরো ৫০ হাজার টাকা খরচা করে রিংস্ল্যাব তৈরি করেছি কর ।এক মাসে উৎপাদন হয় ৩ টন কেঁচো সার। প্রতি কেজি সার ১২ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। পাশাপাশি প্রতি কেজি কেঁচো এক হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি করেন তিনি। উদ্যোক্তা রাসেল এখন মাসে আয় ৩০-৩২ হাজার টাকা।

জানা যায়, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনা হিসেবে পাওয়া ছয়টি রিং এবং বাকি রিংগুলো নির্জ খরচে ও ৩ হাজার কেঁচো দিয়ে কম্পোস্ট সার তৈরি শুরু করেন। এদিকে রাসেলের উৎপাদিত কেঁচো সার স্থানীয় কৃষকদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

স্থানিয় কৃষক ১-২ দেবীডুব ইউনিয়নের সোনাপোতা এলাকার কৃষক মাহাবুব আলম জানান, রাসেল প্রধানের কেঁচো সার ফসলে ব্যবহার করে ভালো ফলন পেয়েছি। পাশাপাশি তার সমন্বিত কৃষি খামার আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে। তিনি বলেন, আমাদের দেশে যে হারে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের দাম বাড়ছে, তাতে ধানের চাষ করে লাভ হয় না।

সিংক উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা নাঈম মোর্শেদ বলেন, ভার্মি কম্পোস্ট সার ফসল উৎপাদনে খুবই উপযোগী একটি সার। এছাড়া বাণিজ্যিকভাবে এ সার উৎপাদন করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। আমরা কৃষক পর্যায়ে এ সারের ব্যবহার বাড়াতে কাজ করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com