1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
গৌরনদী উপজেলায় সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে ঘুষের টাকা ভাগ হচ্ছে তিন স্তরে। - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| রাত ১২:৩২|
সংবাদ শিরোনামঃ
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে এক রাতে ৯টি গরু চুরি, ক্ষতি প্রায় ৬ লাখ টাকা মাদারীপুরে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা গৌরনদী’র সরিকলে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বাংলা কিউআর ক্যাম্পেইন মাদারীপুরের ডাসারে গ্রাম আদালতের ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মুষলধারে বৃষ্টিতে শাক-সবজি বিনষ্ট, বাজারে চড়া দাম গৌরনদীতে ভ্রাম্যমান আদালতে ০৬ মাসের কারাদণ্ড ৩,০০০ টাকা জরিমানা মাদারীপুরে আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৩ আসামি গ্রেফতার রাবি শিক্ষার্থীদের অবরোধে সারা দেশের সঙ্গে রাজশাহীর রেল যোগাযোগ বন্ধ গৌরনদীতে মাদ্রাসায় গলায় ফাঁশ দেওয়া ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার জাল টাকা ও টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম প্রিন্টার নিয়ে কালকিনিতে এক যুবক আটক

গৌরনদী উপজেলায় সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে ঘুষের টাকা ভাগ হচ্ছে তিন স্তরে।

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৭০ বার পড়া হয়েছে

 

প্রতিদিনের ক্রাইম নিউজ ডেস্ক, বরিশাল গৌরনদীঃ-

বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে কাজ পেতে আগাম ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের কাজ পাওয়ার আগেই ঠিকাদারদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে ঘুষ নেওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলে ঠিকাদারদের নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে জানা গেছে। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকেই ঘুষ দিয়ে কাজ নিচ্ছেন।

জানায়, বিভিন্ন প্রকল্পে নির্দিষ্ট হারে ঘুষ আদায় করা হচ্ছে। এর মধ্যে ব্রিজ নির্মাণের কাজের ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের কাছ থেকে ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্পে ৮ শতাংশ এবং টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে প্রায় ১৪ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে অগ্রিম স্বাক্ষরের জন্য এজি অফিস ও সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, পিআইও (প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা) অফিসের সহকারী শংকর বড়াল মিলনের মাধ্যমে এসব ঘুষের টাকা লেনদেন করা হয়। এমনকি তাকে অফিসে বসেই ঠিকাদারদের কাছ থেকে টাকা গুনতে দেখা গেছে একটি ভিডিওতে। ওই ভিডিওতে তাকে টাকার বান্ডিল গুনতে এবং মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়। ১শত টাকার তিন বান্ডেল ও ১ হাজার টাকার একটি বান্ডেল। তাতে প্রায় দুই লাখ টাকার ঘুষ লেনদেনের ঘটনাও ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে।

এছাড়া কাবিখা প্রকল্পের চাল ও গম সর্বনিম্ন দামে অফিস সহকারীর মাধ্যমে কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে পিআইও’র বিরুদ্ধে। উপজেলায় একটি ব্রিজের ঠিকাদার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি জানান, এসব ঘুষের টাকার ভাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পিআইও এবং সংশ্লিষ্ট সহকারীরা পেয়ে থাকেন।

আরও জানা গেছে, টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে কাজ সম্পূর্ণ না করেই প্রকল্প সভাপতিদের সঙ্গে সমন্বয় করে বিল উত্তোলন করা হয় এবং সেই টাকা ভাগাভাগি করা হয়। এ কাজে সংশ্লিষ্ট এক ইঞ্জিনিয়ার আলিমের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে।

এছাড়া খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বড়দিন উপলক্ষে জিআর বরাদ্দের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার টাকা করে নেওয়ার পর চালের জিও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বরাদ্দপ্রাপ্ত ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টিই ভুয়া বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরকারি বরাদ্দে শুকনা খাবার, টিন ও কম্বল কেনার ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বরাদ্দের তুলনায় নিম্নমানের পণ্য ইউএনও ও পিআইও’র সমন্বয়ে ক্রয় করা হয়েছে।

অভিযুক্ত পিআইও অফিস সহকারী শংকর বড়াল মিলনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ওই ভিডিওটি আমার নয়, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com