
আতাউর রহমান চঞ্চলঃ- দেশে চলমান তীব্র তাপদাহ।টানা কয়েক সপ্তাহের তাপদাহের ফলে অস্বস্তিতে জনজীবন। নেই বৃষ্টির ছাপ। উত্তপ্ত রোদে পুড়ছে দেশের মানুষ।তীব্র তাপদাহের কারণে জনজীবনে অস্বস্তি নেমে আসে।ব্যাঘাত ঘটে মানুষের চলাচলে।এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ দুপুরের পর দক্ষিণাঞ্চলে হয়েছে স্বস্তির বৃষ্টি। সোমবার (৬-মে) দুপুর ৪টা থেকে বিদ্যুৎ চমকানোর পর শোনা যায় মেঘের গর্জন। এর ২০ মিনিট পরই শুরু হয় দমকা ঝড়োহাওয়া এবং গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পরে ভারী বর্ষণে স্বস্তি ফিরে জনজীবনে।
আবহাওয়া অফিস পর্যবেক্ষক মো. রুবেল হোসেন বলেন, সোমবার (৬-মে) দুপুর ৪টা থেকে বিদ্যুৎ চমকানো শুরু হয়। বিদ্যুৎ চমকানোর ফলে আকাশ আলোকিত হয়ে ওঠে। এরপর শুরু হয় কালো মেঘের গর্জন। দুপুর ৪-টা ২০ মিনিটে শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। তীব্র তাপদাহের পর দুপুরে হঠাৎ করে বৃষ্টি হওয়ায় জনমনে স্বস্তি ফিরে আসে।এরপর রাত ১২-টা পযর্ন্ত মুশুলধারে বৃষ্টি হয় দক্ষিণাঞ্চলে।এতে সন্ধ্যা পর্যন্ত বরিশালে ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে সন্ধ্যার পরে আবার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আগামী আরো কয়েক দিন এমন বৃষ্টিপাত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের এই কর্মকর্তা।
টানা কয়েক সপ্তাহ তীব্র তাপদাহ থেকে অতি তীব্র তাপদাহ চলমান ছিল। জেলায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়। এ মৌসুমে বরিশালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপদাহের কারণে জনজীবনে অস্বস্তি নেমে আসে। ব্যাঘাত ঘটে মানুষের চলাচলে।তবে টাপুরটুপুর বৃষ্টি ছন্দে জনজীবনে স্বস্তি ফিরে শীতল হলো দক্ষিণাঞ্চল।