1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
সংঘর্ষের চিত্র প্রকাশ ঠেকাতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা? প্রশ্নের মুখে সংবাদ সংগ্রহের নিরাপত্তা - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|
সংবাদ শিরোনামঃ
সংঘর্ষের চিত্র প্রকাশ ঠেকাতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা? প্রশ্নের মুখে সংবাদ সংগ্রহের নিরাপত্তা মাদারীপুরে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ, ট্রাকচালককে দিয়ে ব্যাটারি খুলে নেওয়ার অভিযোগ। তেরখাদার মধুপুরে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের অবসান, পুলিশের হস্তক্ষেপে ফিরল শান্তির বার্তা রৌমারীতে অপরাধ দমনে পুলিশ-জনগণের ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান গৌরনদী উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান। আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আট শ্রমিককে ঘিরে ইন্দো-বাংলায় চরম অচলাবস্থা, মুখোমুখি মালিক-শ্রমিক-কর্মকর্তা আমতলীতে পুলিশের অভিযানে ১২১ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ মধুপুরে ৫০ হাজার টাকা চুরির অভিযোগে ৮ বছরের শিশুকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন, মামলা দেবীগঞ্জে আদালতের স্থিতাবস্থা নির্দেশের মধ্যেই বাড়িতে হামলার অভিযোগ,,

সংঘর্ষের চিত্র প্রকাশ ঠেকাতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা? প্রশ্নের মুখে সংবাদ সংগ্রহের নিরাপত্তা

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

 

প্রতিদিনের ক্রাইম নিউজ ডেস্ক, বরিশাল গৌরনদীঃ-

বরিশাল নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন দুই সাংবাদিক। তাদের ঘিরে ধরে মারধর, ‘ভুয়া সাংবাদিক’ ও ‘আওয়ামী লীগের লোক’ বলে অপবাদ দেওয়ার পাশাপাশি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ধারণ করা ভিডিও মুছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

হামলার শিকার দুই সাংবাদিক হলেন দৈনিক বরিশাল মুখপত্রের বার্তা সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ ও যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সাইফুল অপূর্ব।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ওই দুই সাংবাদিক। সংবাদ সংগ্রহের অংশ হিসেবে তারা সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন। এ সময় বিএনপি নেতা বাবুল মহুরীর নেতৃত্বে শতাধিক লোক তাদের ঘিরে ধরেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সেখানে থাকা কয়েকজন নিজেদের ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। তারা দুই সাংবাদিককে ‘ভুয়া সাংবাদিক’ ও ‘আওয়ামী লীগের লোক’ বলে আখ্যা দিয়ে মারধর ও লাঞ্ছিত করেন। একপর্যায়ে তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে সংঘর্ষের ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার এই অংশটিই এখন সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে—সংঘর্ষের দৃশ্য ধারণ করাই কি দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার কারণ ছিল, নাকি ভিডিওতে ধারণ হওয়া কোনো তথ্য প্রকাশ ঠেকাতেই তাদের মোবাইল থেকে ফুটেজ মুছে দেওয়া হয়েছে?

ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের দাবি, তারা পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। সংঘর্ষের প্রকৃত চিত্র যাতে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ না পায়, সে উদ্দেশ্যেই তাদের ওপর হামলা ও ভিডিও মুছে দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে সাংবাদিকদের জড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

এ ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং সংঘর্ষের মতো ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে কোনো ঘটনার ভিডিও ধারণ করাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া ও ধারণ করা তথ্য মুছে ফেলার অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

ঘটনার পর হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করতে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে।

তবে হামলার অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি নেতা বাবুল মহুরী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা সংযোজন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com