
পলাশ তালুকদার, বরিশাল (গৌরনদী) প্রতিনিধি:
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার আগৈলঝাড়া
সড়কের পাশে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। সেই দোকানের মালিক অমল দাস—হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন সাধারণ মানুষ। তবে মাহে রমজান এলেই তাঁর অসাধারণ মানবিকতা নজর কাড়ে সবার। ধর্মীয় ভিন্নতা থাকলেও মাহে রমজানের প্রতি গভীর সম্মান প্রদর্শন করেন তিনি। রোজার পুরো মাসজুড়ে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দোকান চালালেও চা-নাস্তার অংশটি কাপড় বা ছাউনি দিয়ে আড়াল করে রাখেন, যেন রোজাদারদের সামনে খাবার দৃশ্যমান না হয় এবং তাদের মনে কোনো প্রকার অস্বস্তি বা আকর্ষণ সৃষ্টি না করে।
অমল দাস জানান, “রোজা মুসলমান ভাইদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র একটি ইবাদত। তাদের কষ্ট বা সংযমে যেন আমার কারণে সামান্যও বিঘ্ন না ঘটে, সেটাই আমার চেষ্টা।”
স্থানীয়রা বলছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন অমল দাস। তাঁর এই উদ্যোগ শুধু প্রশংসনীয়ই নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের এক অনুকরণীয় উদাহরণ।
ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনাকেই যেন বাস্তবে রূপ দিয়েছেন গৌরনদীর এই সাধারণ চায়ের দোকানি।