
মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী বিভাগীয় প্রধানঃ-
একজন তারেক রহমান মরহুম পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর পদাঙ্ক অনুসরণ কারী সংবাদপত্র ও সাংবাদিক মান্নান যে সে কথা বৃহদাকারে বলার অবকাশ রাখে না। তিনি দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি’র একমাত্র মুখোপত্র দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হওয়ার পর ও বিগত আওয়ামী সরকারের দুঃশাসনামনে সংবাদপত্র/ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছিলো। সরকারি ভাবে এমন নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার পর সরকার এবং সরকারি দলের নেতাদের লেজুড় ভিত্তিতে পরিচালিত বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক/প্রকাশক-মালিক নামিয় ব্যাক্তি বিশেষ এর পা ছাঁটা গোলামের ন্যায় সাংবাদিকতা পেশার কলংকিত ব্যাক্তিরা তারেক রহমান এর ছবি দেখানো সহ সব ধরনের সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত ছিলো যখন, তখন একমাত্র দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারেক রহমান এর সংবাদ প্রকাশ করে গেছেন। আর সেই কারণে দৈনিক দিনকাল পত্রিকার অনেক সাংবাদিক বিভিন্ন ভাবে সরকার এবং সরকার দলীয় নেতাদের রোষানলে ও পড়তে হয়েছিলো। শেষ পর্যন্ত দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সাংবাদিকদের দমিয়ে রাখতে না পেরে দিনকাল পত্রিকা বন্ধ ও করে দিয়েছিলো।
আর সে কারণে বর্তমান সময়ে তারেক রহমান যখন প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তখন ওই সব সম্পাদক/প্রকাশক-মালিক সহ সাংবাদিক নামের কলংকিত ব্যাক্তিরা তারেক রহমান এবং বিএনপি ও এর নেতাদের গুনগান গাওয়া শুরু করে দিয়েছে!
বলতে গেলে তিনি তো উনার বাবার মতোই সাংবাদিক বান্ধব। আর সে কারণে তিনি সাংবাদিক সমাজের সুখ দুঃখের সাথী যে হবেন তা নির্ধিধায় বলা চলে।
তবে, প্রাধান্য দিতে হবে দৈনিক দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিকদেকে। কারণ, বিগত ১৭ বছরের যাতনার শিকার দৈনিক দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিকরা যে কতো কষ্ট করে জীবন বাঁচিয়ে রেখেছেন তা একমাত্র আল্লাহ-ই ভালো বলতে পারবেন। সারাদেশের প্রত্যেকটা জেলা ও উপজেলায় দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিকরা বিগত ১৭ বছর চরম অর্থ কষ্ট সহ জীবনের চরম নিরাপত্তা হীনতায় থাকার পরও দিনকাল ছেড়ে যায়নি এবং জীবনের চরম ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকেননি। বলাবাহুল্য যে, দিনকাল পত্রিকার হেড অফিসে দায়িত্ব রত: সাংবাদিকরা ও চরম ঝুঁকির মধ্যে থেকে পত্রিকার কার্যক্রম সচল রেখেছিলেন।
সুতরাং, দিনকাল পত্রিকার সম্পাদক/প্রকাশক তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসে অন্যান্য দায়িত্ব পালন করে যাওয়ার শেষ হীন ঝামেলার মধ্যে থেকে ও তিনি দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিকদের খোঁজখবর নিয়ে তাদের দিকে সহানুভূতির দৃষ্টি দেয়ার অনুরোধ থাকবে।
এ প্রতিবেদক তার নিজের বিষয়ে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে উল্লেখ করছেন- দল করা ছাড়া ও দলের একমাত্র মুখোপত্র দৈনিক দিনকাল পত্রিকার মীরসরাই-উত্তর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি/সাংবাদিক হওয়ার কারণে আওয়ামী হায়েনাদের হাতে পর পর ৪ বার হামলার শিকার হয়ে রক্তাক্ত আহত হয়েছিলেন। সাংবাদিকতা পেশার মহামূল্যবান জিনিস মোবাইল, ট্যাব, ক্যামেরা, ল্যাপটপ এবং হাতঘড়ি, আংটি, গলার চেইন এবং পকেটে থাকা টাকা সমেতো মানিব্যাগ সহ লক্ষাধিক টাকার জিনিসাধি লুট করে নিয়ে গিয়ে তাকে একেবারেই ফকির বানিয়ে ছেড়েছে। জীবন শেষ করে দেয়ার মানসে ২ বার অপহরণ করে নিয়ে যেতে চাইলে ও বাঁচিয়ে ছিলেন একমাত্র আল্লাহ। মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ঘর-বাড়ি ছাড়তে ও বাধ্য করা হয়েছিলো।
এ ছাড়া- হুমকি ধামকি তো নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ছিলো।
সব কিছু মিলিয়ে জীবন বাঁচানো ও দায় হয়ে পড়েছিলো।
অনুরূপ সারাদেশে দায়িত্ব রত: দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি কেউ-ই যে নিরাপদ ছিলো না তা ও বলাবাহুল্য।
আর সে নিরীখে বলতে দ্বিধা নেই যে, দিনকাল পত্রিকার সম্পাদক/প্রকাশক তারেক রহমান অবশ্যই দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিকদের খোঁজখবর নিয়ে তাদেরকে অভয় দিয়ে আগামীর পথ চলার প্রেরণা যোগাবেন।