1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
জ্বালানি খাতে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করার দাবি - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বুধবার| রাত ৪:২৭|
সংবাদ শিরোনামঃ
সেলিমা রহমান এমপি নির্বাচিত হওয়ায় জিয়া মঞ্চ বরিশাল জেলা দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক সুমন সরদারের নেতৃত্বে মিষ্টি বিতরণ মাদারীপুরে বিয়ের প্রলোভনে ডিভোর্সী নারীকে ধর্ষন”আদালতে মামলা”স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন রাষ্ট্রের স্বার্থে আপনারা আমাকে উৎসর্গ করেছেন,তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী  নওগাঁয় একই প‌রিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা লুটের উদ্দেশ্যেই হামলার সন্দেহ গৌরনদীতে মাদক বিক্রেতা জামিনে মুক্তি পেয়ে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি গৌরনদীতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পাকা বিল্ডিং নির্মান, বাঁধা দেয়ায় হুমকি। নড়াগাতীর চর বল্যাহাটীতে কুকুরকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৫ কৃষকের লাঙল আর মাঝির বৈঠা” উজিরপুরে তীব্র লোডশেডিং, পরীক্ষার্থীসহ জনজীবন বিপর্যস্ত ডাসারে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ৩৭ হাজার লিটার ভোজ্যতেল মজুতের অপরাধে”৪০ হাজার টাকা জরিমানা

জ্বালানি খাতে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করার দাবি

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

সোহেল রানা রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানঃ- জ্বালানী খাতে মানবধিকার লঙ্ঘন বন্ধ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। আর্ন্তজাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে শনিবার বেলদারপাড়া এলাকায় এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বিডব্লুজিইডি, ক্লীন এবং পরিবর্তনের যৌথ আয়োজনে এ সমাবেশে আলোচনা করেন অগ্নি প্রকল্পের সমন্বয়কারী হাসিবুল হাসান, সচেতনের সমন্বয়কারী মাহামুদ উন নবী ।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, মানবাধিকার যেকোনো মানুষের অবিচ্ছেদ্য অধিকার। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যতীত এই অধিকার হরণ করা যায় না। সমস্ত মানবাধিকার অবিভাজ্য এবং পরস্পর নির্ভরশীল। এর অর্থ হল; এক ধরনের অধিকার অন্যটি ছাড়া সম্পূর্ণরূপে উপভোগ করা যায় না। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বন্যা, তাপপ্রবাহ, খরা, মরুকরণ, পানির ঘাটতি এবং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সংক্রামক রোগের বিস্তারকে জলবায়ু পরিবর্তনের কিছু বিরূপ প্রভাব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সারা বিশ্বে মানবাধিকারকে হুমকির মুখে ফেলে, যার মধ্যে রয়েছে জীবনের অধিকার, নিরাপদ পানীয় জল এবং স্যানিটেশন, খাদ্য, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সংস্কৃতি, কাজ এবং উন্নয়ন।

বাংলাদেশের মতন উন্নয়নশীল দেশসহ পৃথিবীর বেশিরভাগ উন্নত দেশগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করছে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো অনেকক্ষেত্রেই পরিবেশের ক্ষতি করার সাথে সাথে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে এখানে কর্মরত শ্রমিকেরা নানান ভাবে মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

উদাহরনস্বরূপ, মেঘনাঘাট ৫৮৪ মেগাওয়াট এলএনজি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ৩৫০ জন বাসিন্দার কাছ থেকে নেয়া ২১.০৭ একর জমিতে নির্মিত বলে নথিপত্রে উল্লেখ আছে। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা ভিন্ন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের নেয়া মোট জমির পরিমাণ কমপক্ষে ২৭.৯৫ একর। এর মানে অন্তত ৬.৮৮ একর (৩২.৭%) জমি অবৈধভাবে নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে মেঘনা নদী থেকেই নেওয়া হয়েছে অন্তত ৩.৪১ একর। জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম কানুনই মানা হয়নি। স্থানীয় জমির মালিকেরা প্রতি শতক ৪.৫৮ লাখ টাকা গড় হারে মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে তাদের জমি বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু এই মধ্যস্বত্বভোগীরাই একই জমি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে প্রতি শতক ৯.১৫ লাখ টাকা হারে বিক্রি করেছে।

সে হিসেবে, স্থানীয় জমির মালিকরা মধ্যস্বত্বভোগীদের দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন কমপক্ষে ৯৬.২২ কোটি টাকা, যা সুষ্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে। বে-আইনী জমি অধিগ্রহণের কারণে কিছু পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং তাদের মধ্যে কৃষক এবং মৎস্যজীবী থেকে শুরু করে অনেকেই তাদের পেশা বদলাতে বাধ্য হয়েছে । বালি দিয়ে ভরাট করার কারণে স্থানীয় মানুষের বাসস্থান ও চাষযোগ্য জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

এছাড়াও পটুয়াখালি ১,৩২০ মেগাওয়াট কয়লা-ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র (আরএনপিএল) কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য অন্তত ১,২০০ পরিবারের ১,০০২ একর ফসলি জমি ও বাড়ি অধিগ্রহণ করে এই তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। এই জমি অধিগ্রহণ বাবদ ৭৬ কোটি টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হলেও সেখানে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। টাকা পরিশোধ ছাড়াই স্থানীয় লোকদের জমি ভরাট করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, এখানে জমি অধিগ্রহণের জন্য একটি পরিবারকে উচ্ছেদ করতে মধ্যরাতে ড্রেজার দিয়ে তাদের বাড়ির ওপর বালি ফেলে তাদেরকে হত্যা চেষ্টা করা হয়।পরবর্তিতে স্থানীয়দের সাহায্যে তদের উদ্ধার করা হয়।

বিদ্যুৎ সেক্টরে শ্রমিকদের দাবি ক্ষুণ্ণ এবং সবচেয়ে বেশী মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে চট্টগ্রামের বাঁশখালির বিদ্যুৎকেন্দ্রে। এস আলম গ্রুপ ও চীনের সেপকো ও এইচ টিজি গ্রুপের মালিকানাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি প্রদানসহ বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে ১২ জন নিহত হয়েছেন।

এছাড়াও, বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র যেমন রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট প্লান্টের শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানে তাদের কর্মপরিবেশ একেবারেই অনূকুল না। তারা নিজেদের সুরক্ষা সরঞ্জাম বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পায় না, নিজেদের সংগ্রহ করতে হয়। এছাড়াও যে মেডিকেল সেন্টার আছে কেন্দ্রের ভেতরে তা শুধুমাত্র চীনা শ্রমিকদের সেবা দেওয়ার জন্য। স্থানীয় শ্রমিকদের যেকোনো দূর্ঘটনায় অঙ্গহানি হলেও প্রাথমিক চিকিৎসা ছাড়া আর কিছুই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে দেওয়া হয় না।

এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কারণে স্থানীয় পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮(ক)১ এর দ্বিতীয়ভাগে বলা আছে, “পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নঃ রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।” অর্থাৎ এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারণে রাষ্ট্রের মূলনীতি লঙ্ঘন হচ্ছে।

বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৫০.৪% নারী, যারা বেশিরভাগ গৃহকর্ম এবং কৃষিতে নিয়োজিত। বাংলাদেশের স্থানীয় সংস্কৃতি অনুযায়ী, নারীরা রান্না-বান্না, শিশু এবং বড় পরিবারের সদস্যদের যত্নে সরাসরি নিযুক্ত থাকেন। ফলস্বরূপ, তারা পরিবারের প্রয়োজনেই সর্বোচ্চ পরিমাণ জ্বালানী ব্যবহার করে।জ্বালানী ক্ষেত্রে নারীরা মারাত্মক ভাবে অবহেলিত। যেমন, পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন, এবং বিতরণ কোথাওই তাদের অংশগ্রহণ উল্লেখ করার মতন না। মাত্র ২%-৪% হিসাবে জমির মালিকানা নারীদের হাতে থাকায়, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিকেরা নারীদের উপস্থিতি, তথ্য অধিকার এবং পরামর্শ গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণকে উপেক্ষা করে যায়।প্রকল্প পরিচালনাকারীরা, সবসময় নারীদের বিশেষ চাহিদা উপেক্ষা করে যেমন, প্রজনন স্বাস্থ্য। একটি গবেষণায় দেখা যায় যে বাংলাদেশের জীবাশ্ম জ্বালানির কোম্পানিগুলোতে মাত্র ৮.৩% শ্রমিক নারী এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে আছেন মাত্র ০.৯৩% নারী। অর্থাৎ একটি দেশের অর্ধেকের বেশি জ

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com