1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
গৌরনদী’র তিনটি স্লুইসগেট কৃষকের গলার কাঁটা! - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| রাত ১২:৫৫|
সংবাদ শিরোনামঃ
রাজশাহীতে চিকিৎসক সমাজের ব্যানারে মানববন্ধন খেয়াঘাটের স্থায়ী ইজারা বাতিলের দাবিতে রাজশাহীতে চরবাসীর মানববন্ধন জাল দলিলের মাধ্যমে নামজারির চেষ্টা, মোবাইল কোর্টে ৩ মাসের কারাদণ্ড গৌরনদীর টরকীতে চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, দোকানপাট বন্ধ। চাঁদশী মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবীর কারাদণ্ড নগরীর চন্দ্রীমা থানার প্রতারণা মামলা পলাতক আসামী কথিত সাংবাদিক চপল গ্রেফতার রাজশাহীতে অস্ত্রের চালান জব্দ, আটক ২ ​স্বামীর লাশ নিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা, অ্যাম্বুলেন্সে থাকা স্ত্রীরও করুণ মৃত্যু। সাংবাদিক লক্ষ্মণ রায়ের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও অবস্থান স্পষ্ট করে বিবৃতি,, গৌরনাদীতে যত্রতত্র পার্কিং, অবৈধ স্থাপনা অপসারণ ও মাদক প্রতিরোধে অভিযান

গৌরনদী’র তিনটি স্লুইসগেট কৃষকের গলার কাঁটা!

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
  • ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ-“ধান, নদী ও খাল এই তিনে বরিশাল।” চিরচেনা এই পরিচয়পত্রেই বারবার উঠে আসে দক্ষিণাঞ্চলের নদীমাতৃক বাস্তবতা। তবে নদী আর খাল থাকলেই তো হলো না, দরকার সঠিক ব্যবস্থাপনা। বলছি বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কথা। এখানে কৃষিকাজে উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ১৪০০ হেক্টর কৃষি জমির সুবিধার্থে নির্মিত তিনটি স্লুইসগেট এখন কৃষকের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার তিনটি স্লুইসগেটের একটিও কার্যকর অবস্থায় নেই। এর একটি ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডের উত্তর পাশে গয়নাঘাটা এলাকায়, অন্য দুটি যথাক্রমে বার্থী ইউনিয়নের সাউদের খাল (আনন্দপুর) এবং মাহিলাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত।

স্থানীয় বাসিন্দা মানিক শরীফ অভিযোগ করে বলেন, “এই স্লুইসগেটগুলোর একটি নব্বইয়ের দশকে, অন্যটি ২০০৬ সালে নির্মাণ করা হয়। বিশেষ করে আনন্দপুরে সাউদের খালের স্লুইসগেট ২০০৬ সালের নির্মিত হলেও এখন আর কোনো কাজেই আসে না। খালে যখন পানি দরকার হয়, তখন স্লুইসগেটের কপাট খোলা যায় না। ফলে খালে জোয়ার ভাটার পানি প্রবেশ করতে পারে না। বরং এখন সুবিধার চেয়ে অসুবিধাই বেশি হচ্ছে।”

এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার শেখ বলেন, “উপজেলায় বোরো ও আমন মৌসুমে প্রায় ১৩,৩২০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়। প্রাকৃতিকভাবে খালে জোয়ার-ভাটা থাকলে ফসল ফলাতে কোনো সমস্যা হয় না।”

গৌরনদী বিআরডিসির উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাহেব চৌধুরী বলেন, “খালে স্বাভাবিক পানির প্রবাহ না থাকায় পানি সচল রাখতে সরকারিভাবে দুটি সেচ প্রকল্প চালু আছে। এর একটি টরকী বন্দর লঞ্চঘাট এলাকায়, অপরটি মাহিলাড়ায়। এছাড়া ব্যক্তিগত উদ্যোগেও শরিকল এলাকায় একটি মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। খালে যদি জোয়ার-ভাটা স্বাভাবিক থাকত, তাহলে ডাবল লিফটিংয়ের প্রয়োজন হতো না।”

তিনটি স্লুইসগেটের বর্তমান অবস্থান জানতে চাইলে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল বলেন, “তিনটির মধ্যে কেবল গয়নাঘাটার স্লুইসগেটটি অচল রয়েছে। মাহিলাড়া ও আনন্দপুরের স্লুইসগেট সচল আছে।”

তবে সরেজমিন পর্যবেক্ষণ আর স্থানীয় কৃষকদের অভিজ্ঞতা বলছে ভিন্ন কথা। বাস্তবে এই তিনটি স্লুইসগেটই এখন কৃষিকাজে ব্যর্থ ভূমিকা পালন করছে। যার ফলে সরকারিভাবে নির্মিত এসব অবকাঠামো এখন জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

“অচল স্লুইস গেট মেরামত বা কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।”এ বিষয়ে জানতে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিফাত আরা মৌরীকে তথ্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com