1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
দেবীগঞ্জে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, কালভার্ট ছাড়া রাস্তা-মন্দির সংস্কারের কাজ নেই। - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| মঙ্গলবার| রাত ১:২৩|
সংবাদ শিরোনামঃ
সংসদে বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মাদারীপুরের শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ দিনের আলোর বদলে রাতের ঢালাই; ২১ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণে তদারকি নিয়ে প্রশ্ন,, নড়াইলে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ও কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ, থানায় মামলা আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে, গৌরনদী’র পৌর সংরক্ষিত কাউন্সিলর ৭,৮,৯ ওর্য়াডে আলোচনায় ওজুফা নাসির হাতের স্পর্শেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং আগৈলঝাড়ায় সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে যাচ্ছে এলজিইডি লোডশেডিং ইস্যুতে গুজব-উসকানি ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে ডিজিএমের আহ্বান রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানায় এক পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ, ৪ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেবীগঞ্জে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, কালভার্ট ছাড়া রাস্তা-মন্দির সংস্কারের কাজ নেই। কালিয়ায় স্থানীয় উদ্ভাবিত প্রযুক্তির প্রদর্শনী ও সেমিনার অনুষ্ঠিত ডাসারে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সভায় গ্রাম আদালত নিয়ে আলোচনা।

দেবীগঞ্জে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, কালভার্ট ছাড়া রাস্তা-মন্দির সংস্কারের কাজ নেই।

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

 

মোমিন ইসলাম সরকার, দেবীগঞ্জ পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ-

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায়কে ঘিরে ঘুষ লেনদেনের ভিডিও নিয়ে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নতুন করে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার ৮ নং দন্ডপাল ইউনিয়নের দক্ষিণ সেনপাড়া এলাকায় কাঁচা রাস্তা সংস্কার, একটি কালভার্ট নির্মাণ এবং মন্দির সংস্কারের জন্য ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে শুধুমাত্র একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তা সংস্কার ও মন্দির সংস্কারের কোনো কাজই হয়নি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রকল্পের অবশিষ্ট অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। তারা বলেন, সরকারি কাগজে কাজ সম্পন্ন দেখানো হলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

সরেজমিনে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নির্মিত কালভার্টটি ছাড়া বরাদ্দে উল্লেখিত রাস্তা সংস্কার ও মন্দির সংস্কারের দৃশ্যমান কোনো কাজের অস্তিত্ব নেই বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংরক্ষিত প্রকল্প-সংক্রান্ত তথ্যেও এসব কাজের বরাদ্দের উল্লেখ রয়েছে।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকল্পের অর্থের হিসাব প্রকাশ এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এবিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও ওয়ালিদ মন্ডল জানান বরাদ্দের টাকা দুই ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয় চেকের মাধ্যমে,, প্রথমে কাজ করার জন্য ৫০% পার্সেন্ট টাকা দেওয়া হয়,, বাকি অর্ধেক টাকা কাজ শেষ করার পর সঠিক কাজ দেখে তার পর দেওয়া হয়,, কিন্তু অফিসে কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যাচ্ছে কাজ শেষ না করেই পুরো টাকা তুলে নিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com