
সাগর কুমার বাড়ই,খুলনা|- আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, খেঁটে খাওয়া গরীব অসহায় মানুষের দোড় গোড়ায় পৌছে অকৃত্রিম ভালোবাসা ও ভোট প্রার্থনায় প্রার্থীরা প্রচার প্রচারণার কাজে মরিয়া হয়ে উঠেছে।সাধারণ মানুষের মুখে হাঁসি ফোঁটাতে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারা বদ্ধ হচ্ছে।দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে নির্বাচনের কাজে যার যার মতো করে নিজেকে বিজয়ী করতে ছুটেই চলছে।
এ যেন ঘোড়ার দৌড়ের মতো।নির্বাচন কমিশন থেকে জানা যায়,১৯ শে মে রবিবার রাত ১২ঘটিকা পর্যন্ত নির্বাচনের সভা,জনসভা মিছিল,মিটিং ও গণসংযোগ কার্যকর।২০ শে মে সোমবার থেকে নির্বাচনের মিছিল,মিটিং জনসভা,গণসংযোগ সহ সকল ধরনের নির্বাচনী কার্যক্রম নিষিদ্ধ।আগামী ২১ শে মে ~২০২৪ ইংরেজি মঙ্গলবার আসন্ন উপজেলার পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিন।সকাল ৮ টা থেকে বিরতী হীন ভাবে বিকাল ৪ ঘটিকা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে।তেরখাদা উপজেলায় দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এবারের আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় কোন প্রতীক না থাকায় প্রার্থীদের খাওয়া দাওয়া, গোসল ও ঘুমের মতো শারীরিক বিশ্রাম সব কিছু ত্যাগ করে ভোটারদের কাছে গিয়ে বিনয়ের সঙ্গে ভোট প্রার্থনা করতে দেখা যাচ্ছে। জনসাধারণ এবারের নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী কে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করবেন বলে শোনা যাচ্ছে।তেরখাদা এলাকার সাধারণ খেঁটে খাওয়া মানুষের দোড় গোড়ায় পৌছে তাদের মতামত জানাতে চেয়েছিলেন তেরখাদা প্রেসক্লাবের নির্ভীক সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।সাধারণ ভোটাররা বলেন,যে ব্যক্তি সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে বিপদে আপদে আপন ভাইয়ের মতো আমাদের আগলে রাখতে সক্ষম হবে আমরা তাকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবো।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটের দিনে ভোট কেন্দ্র অবৈধ ভাবে দখল করে ভোট জালিয়াতি করার কোন সুযোগ না থাকায় সাধারণ ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাররা ভোট দিতে পারবে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন,ভোটে যাহাই হউক না কেন এমপি/মন্ত্রীদের পছন্দের প্রার্থী কে ঘোষণার মাধ্যমে বিজয়ী করা হবে বলে গুজব বাতাসে বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। সাধারণ মানুষের বক্তব্য বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দলীয় প্রতীক না দিয়ে সুষ্ঠু অবাধ নিরপক্ষে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চান যে স্বাধীন বাংলায় গঠনতান্ত্রীক ভাবে ভোট গ্রহণ হয়ে থাকে।
তাঁরই ধারাবাহিকতায় তেরখাদা উপজেলায় আসন্ন উপজেলার পরিষদ নির্বাচনে সরকারের দলীয় প্রতীক না দিয়ে জনগণের ভোটে সুষ্ঠু অবাধ নিরপক্ষে নির্বাচনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী কে বিজয়ী ঘোষণা করার দৃঢ় প্রত্যয় হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার।তবে তেরখাদা উপজেলার নির্বাচন কে ঘিরে জল্পনা কল্পনা ও আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে । তেরখাদা বাসী নিরপেক্ষ ভাবে সৎ,যোগ্য,শিক্ষিত,দুর্নীতি মুক্ত পরউপকারী নেতা কে ভোটের মাধ্যমে তেরখাদা উপজেলার চেয়ারম্যান হিসেবে দেখার স্বপ্ন দেখে।আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তেরখাদা উপজেলায় খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তেরখাদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু (দোয়াত কলম) প্রতীক নিয়ে ও তেরখাদা উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা তরুণ প্রজন্মের আস্থাভাজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি সমাজ সেবক আলহাজ্ব মো:আবুল হাসান মুসাল্লী( আনারস) প্রতীক নিয়ে ব্যাপক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় মেতে উঠেছে।সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু বলেন প্রতিশ্রুতি নয় অঙ্গীকারাবদ্ধ কে বাস্তবে রূপ দেওয়াই আমার মূল লক্ষ্য ।
অপর দিকে আলহাজ্ব মো: আবুল হাসান মুসাল্লী বলেন, তেরখাদা উপজেলা কে স্মার্ট তেরখাদা উপজেলা গড়ার আমার মূল লক্ষ্য।আপর দিকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা মো: তবিবুর রহমান (টিয়া পাখি) প্রতীক,সাংবাদিক শারাফাত হোসেন মুক্তি (টিউবওয়েল) প্রতীক,এস এম ওবায়দুল্লাহ বাবু (উড়োজাহাজ) প্রতীক ও আনিচুল হক আনিচ (তালা) প্রতীক নিয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
উপজেলার সংরক্ষিত মহিলা আসনে পাখী রানী বিশ্বাস (পদ্ম ফুল) প্রতীকে, আওয়ামী লীগের নেত্রী আঞ্জুয়ারা সুমি (ফুটবল) প্রতীকে, মলিনা খাতুন (কলস) প্রতীকে,শামীমা আক্তার বিথী-শিক্ষিকা (হাঁস) প্রতীক নিয়ে রাত দিন অতন্ত্র প্রহরীর ন্যায় জনসাধারণের ভালোবাসা ও ভোট প্রার্থনা করে লিফলেট বিতরণ কাজে ব্যস্ত সময়পার করছেন।তেরখাদা উপজেলায় মোট=৪৩ টি ভোট কেন্দ্র ও ১ লক্ষ্য ৩ হাজার ৩ শত ৬৮ জন ভোটার রয়েছে।যার মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা = ৫২ হাজার ৫ শত ৯৪ জন।মহিলা ভোটারের সংখ্যা = ৫১ হাজার ১ শত ৭৩ জন ও তৃতীয় লিঙ্গ = ১ জন।