
মোমিন ইসলাম সরকার, দেবীগঞ্জ পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ-
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায়কে ঘিরে ঘুষ লেনদেনের ভিডিও নিয়ে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নতুন করে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার ৮ নং দন্ডপাল ইউনিয়নের দক্ষিণ সেনপাড়া এলাকায় কাঁচা রাস্তা সংস্কার, একটি কালভার্ট নির্মাণ এবং মন্দির সংস্কারের জন্য ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে শুধুমাত্র একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তা সংস্কার ও মন্দির সংস্কারের কোনো কাজই হয়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রকল্পের অবশিষ্ট অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। তারা বলেন, সরকারি কাগজে কাজ সম্পন্ন দেখানো হলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
সরেজমিনে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নির্মিত কালভার্টটি ছাড়া বরাদ্দে উল্লেখিত রাস্তা সংস্কার ও মন্দির সংস্কারের দৃশ্যমান কোনো কাজের অস্তিত্ব নেই বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংরক্ষিত প্রকল্প-সংক্রান্ত তথ্যেও এসব কাজের বরাদ্দের উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকল্পের অর্থের হিসাব প্রকাশ এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও ওয়ালিদ মন্ডল জানান বরাদ্দের টাকা দুই ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয় চেকের মাধ্যমে,, প্রথমে কাজ করার জন্য ৫০% পার্সেন্ট টাকা দেওয়া হয়,, বাকি অর্ধেক টাকা কাজ শেষ করার পর সঠিক কাজ দেখে তার পর দেওয়া হয়,, কিন্তু অফিসে কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যাচ্ছে কাজ শেষ না করেই পুরো টাকা তুলে নিয়েছেন।