1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
সেতু ভেঙ্গে খালে,চরমদুর্ভোগে আগৈলঝাড়ার ১০ হাজার মানুষ। - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| মঙ্গলবার| রাত ২:১০|
সংবাদ শিরোনামঃ
পার্সেন্টিজ ছাড়া ফাইল নড়েনা, মুক্তিযোদ্ধা ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ বন্ধ। গৌরনদীর প্রধান সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগ নড়াইলের নড়াগাতীর পুটিমারি বাজারে মোবাইল কোর্ট, লাইসেন্স না থাকায় জরিমানা মাদারীপুরে সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে অপসংবাদিকতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ছয় হাজারের অধিক শিক্ষার্থীদের দিলো শিক্ষা উপকরণ গৌরনদীতে নারীর ক্ষমতায়নে উঠান বৈঠক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রাজশাহী জেলা পুলিশ মাহিলাড়া মঠ সংলগ্ন ৪.৯৮ একর সরকারি ভিপি জমি অবৈধ দখলমুক্ত কালিয়ার মির্জাপুর মহাশ্মশানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, এলাকাজুড়ে উদ্বেগ নড়াইলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ‘জিরো মিসিং’ উদ্যোগ

সেতু ভেঙ্গে খালে,চরমদুর্ভোগে আগৈলঝাড়ার ১০ হাজার মানুষ।

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৩১ মে, ২০২৪
  • ২১৬ বার পড়া হয়েছে

আতাউর রহমান চঞ্চলঃ- নির্মাণের ৪-৫ বছরের মাথায় সেতুটি বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়তে শুরু করে। আগৈলঝাড়া উপজেলা রত্নপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মোল্লাপাড়া গ্রামের রামের বাজার থেকে সাহেবেরহাট খালের ওপর নির্মিত সেতুটি মাঝ বরাবর ভেঙ্গে পড়ে।

বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলা সেতু ভেঙে খালে পড়ে গিয়ে অন্তত ৫ গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে,। রত্নপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মোল্লাপাড়া গ্রামের রামের বাজার থেকে সাহেবেরহাট খালের ওপর প্রায় ২৪ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল এই সেতুটি।স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্মিত সেতুটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ ও ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় মাঝ বরাবর ভেঙে খালে পড়ে যায়।

এলাকাবাসী জানান, সেতুটির মাঝের অংশ দেবে যাওয়ার ছয় বছর পরও এলজিইডি বিভাগকে জানালেও তারা সংস্কারের কোনো ব্যবস্থা ও (এলজিইডি) খামখেয়ালী পনায়। গত ১৫ মে বুধবার রাতে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি খালের মধ্যে ধসে পড়ে।একমাত্র সেতুটি ধসে পড়ায় চলাচল করা যাচ্ছে না। সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। বিকল্প কোনো যাতায়াতের পথ না থাকায় সেতুর পাশে সাঁকো নির্মাণ করে পার হচ্ছে গ্রামবাসী। সেতুটির লোহার খুঁটি ও ঢালাই স্ল্যাব ধসে যাওয়ায় পশ্চিম মোল্লাপাড়া, দীঘিবালী ও ঐচারমাঠ গ্রামের শতাধিক পরিবারের প্রায় ১০ হাজার মানুষ এখন চলাচলের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

পশ্চিম মোল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় সাংবাদিক প্রবীর বিশ্বাস ননী বলেন, ‘এই সেতুর ওপর দিয়ে তাঁদের উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হয়। সেতুটি ধসে পড়ায় এখন আর কোনো যানবাহন নিয়ে যাতায়াত করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে পার হয়ে হেঁটে বাড়ি যেতে হচ্ছে।’ স্থানীয় আরেক বাসিন্দা আরিফুর রহমান বলেন,‘এই সেতুর ওপর দিয়ে পশ্চিম মোল্লাপাড়া, দীঘিবালী ও ঐচারমাঠ গ্রামের শতাধিক পরিবারের প্রায় ১০ হাজার মানুষ চলাচল করে।’স্থানীয় ইউপি সদস্য অমল হালদার বলেন, ২০০০ সালে নির্মিত এই সেতুতে মানুষ উঠলেই সবাই আতঙ্কে থাকত। অথচ সেতুটি মেরামতের জন্য বারবার বলা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো মাথাব্যথাই নেই।ধান ব্যবসায়ী অজয় সমদ্দার বলেন, ‘এই এলাকায় প্রচুর পরিমাণে ধান উৎপাদন হয়ে থাকে। এখানকার চাষিরা ধান বিক্রি করতে চাইলেও শুধু ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর কারণে কোনো পরিবহন নিতে না পারায় ধান কিনতে পারছি না।’ এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু ধসে পড়ার খবর পেয়েছি। অচিরেই এ সমস্যার সমাধান করা হবে। সেতুটি সংস্কার করা হলে এই এলাকার মানুষসহ আশপাশের অনেক গ্রামের মানুষ উপকার হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com