1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
রেশম কারখানায় নেতাগিরি চলবে না: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|
সংবাদ শিরোনামঃ
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কালিয়ায় শাড়ি ও ধূতি বিতরণ। পরিবারের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও পরিষ্কার রাখতে হবে: এমপি খোকন তালুকদার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কালিয়ায় শাড়ি ও ধূতি বিতরণ। প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করবে —জহির উদ্দিন স্বপন গৌরনদীতে ৭৮ তম ক্রেডিট ইউনিয়ন দিবস পালিত গৌরনদীতে ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ বিজিবির চার অভিযান, সাড়ে ৬ লাখ টাকার মাদক জব্দ উখিয়ার ইনানীতে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১০; ফায়ার সেফটি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ঘিরে নিরাপত্তা প্রস্তুতি জোরদার

রেশম কারখানায় নেতাগিরি চলবে না: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী প্রতিনিধিঃ-

রাজশাহী রেশম কারখানা বা এর কর্মকর্তাদের জিম্মি করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের চেষ্টা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেছেন, “কারখানা জিম্মি করে কোনো নেতাগিরি চলবে না। প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব রক্ষা ও উৎপাদন বাড়াতে যারা ভূমিকা রাখবেন, কেবল তাদেরই এখানে কাজ করার সুযোগ থাকবে।”

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজশাহী রেশম কারখানা চত্বরে আঞ্চলিক রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় এদিন তুঁতচারা রোপণ এবং কারখানার বন্ধ থাকা ১৫টি পাওয়ার লুম পুনরায় চালু করা হয়।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী রেশম কারখানা এ অঞ্চলের মানুষের জীবিকা ও বহু পরিবারের আয়ের অন্যতম উৎস। দীর্ঘ প্রচেষ্টায় বর্তমানে কারখানার ১৫টি লুম সচল করা সম্ভব হয়েছে। শিগগিরই উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সচল লুমের সংখ্যা ১৫ থেকে ২৫টিতে উন্নীত করা হবে।

শ্রমিক রাজনীতির নামে কারখানার কার্যক্রম ব্যাহত করার সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, কারখানাকে জিম্মি করে সাময়িক সুবিধা পাওয়া গেলেও তাতে স্থায়ী কল্যাণ আসবে না; বরং এর নেতিবাচক প্রভাব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর পড়বে। তাই সংকীর্ণ স্বার্থ ও অন্যায্য নেতৃত্বের মানসিকতা পরিহার করতে হবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এই প্রতিষ্ঠান মানুষকে রিজিক দেয়। প্রয়োজনে নিজের রক্ত বিক্রি করে হলেও শ্রমিক-কর্মচারীদের পাশে দাঁড়াব, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিকারক কাউকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।” নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনে স্বজনপ্রীতি পরিহারের আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, নিজের সন্তান বা পরিবারের সদস্যের চাকরির সুপারিশ নিয়ে কোনো সংসদ সদস্য কিংবা ঘনিষ্ঠজন ফোন করলেও তিনি অন্যায্য সুবিধা দেবেন না।

দীর্ঘ ৪২ বছর সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বয়স ও শারীরিক বাস্তবতায় একসময় নতুন ও যোগ্য ব্যক্তিদের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়াই স্বাভাবিক নিয়ম। ভালোবাসা ও ভালো ব্যবহার দিয়ে সবার মন জয় করার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি যেকোনো অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেন, রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল। পাট, গার্মেন্টস এবং ওষুধ শিল্পকে নিয়ে অতীতে যেভাবে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, রেশম শিল্পও ঠিক একইভাবে একধরনের ঔপনিবেশিক আক্রমণের শিকার হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেয়েছে এবং বুকের ওপর চেপে থাকা জগদ্দল পাথর অপসারণ করে নতুন পরিবেশ তৈরি করেছে। বর্তমান এই অনুকূল পরিবেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই রেশম শিল্প কারখানাকে পুনরুজ্জীবিত করার ঘোষণা দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি অত্যন্ত আশাবাদী। রেশম বোর্ডের অধিদপ্তর সম্প্রসারণের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করে এর জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট বা সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন এই সংসদ সদস্য।

এর আগে কারখানা প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ এবং ফিতা কেটে ১৫টি পাওয়ার লুম পুনরায় চালু করা হয়। এরপর চালু হওয়া পাওয়ার লুম ও সুতা তৈরির কারখানা পরিদর্শন করেন আগত অতিথিরা।

রেশম বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী রেশম কারখানায় মোট ৪২টি লুম রয়েছে। এর মধ্যে বন্ধ থাকা লুমগুলো পর্যায়ক্রমে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিল্ক কাপড়ের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় তাঁতিদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিও এ উদ্যোগের লক্ষ্য। একই সঙ্গে রেশম গুটি উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল তুঁতপাতার টেকসই সরবরাহ নিশ্চিত করতে কারখানা চত্বর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপকভাবে তুঁতচারা রোপণের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ, পরিচালক (অর্থ ও পরিকল্পনা) ড. এম এ মান্নান, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আসলাম সরকার প্রমুখ। এ ছাড়া রাজশাহী রেশম কারখানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com