
আতাউর রহমান চঞ্চলঃ- বরিশালের গৌরনদী উপজেলাসহ সারাদেশের সত্য প্রবাহ চলতে থাকাতে মাঠে কাজ করতে পারছেন না কৃষক বা শ্রমিক কৃষকরা মাঠে নামলেই বেড়ে যায় কামার পল্লী কারিগরদের কাজ। কয়েকদিনের প্রবাহ থাকাতে কাজ নেই কামার পল্লীতে তাই বসে বসে অলস সময় কাটাচ্ছেন কামার শিল্পের কারিগররা।
সময় আর প্রযুক্তি কেড়ে নিয়েছে কামারদের সব খুশি। মানুষ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে বিদেশী প্রযুক্তির ওপর। দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি কামার শিল্পের চাহিদাও দিন দিন কমছে।
সরজমিন ঘুরে দেখা গেল বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী টরকী বন্দরে বসে আছে সুধাংশ কর্মকার ও তার সহযোগী রাজু। কিছু কাস্তে, বটি,কোদাল এবং কুড়াল নিয়ে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকতো কাজের চাপ। টুংটাং শব্দে মুখরিত থাকতো কামারপল্লীতে। এমনটাই জানিয়েছেন ৩৭ বছর বয়সি সুধাংশ কর্মকার।
পার্শ্ববর্তী কামার কারিগর ৭০ বছর বয়সি বলাই দাস বলেন জন্মের পর থেকেই বাবার সাথে এ কাজে যোগ দেই। ষাট বছর যাবত এই কামার শিল্পীর সাথে আমি জড়িত। এখন আর আগের মত আমাদের কাজ নেই। কৃষি কাজে আধুনিক যন্ত্রপাতি হওয়াতে এখন আর হাতে কেউ ধান কাটে। তাই আমি মনে করি আমাদের কাজ একটু এখন কম। পেটের তাগিতে বের হতে হয় ঘন কুয়াশার শীতের সকালে দোকান না খুললে ভাত জুটপে না পেটে।