
পৌর সভায় শত বছরের সরকারী খাল দখলমুক্ত অভিযান পরিচালনা করেন পৌর প্রশাসন
মোঃ হেমায়েত হোসেন খান
নিউজ ডেস্ক মাদারীপুর
মাদারীপুরের পৌর শহরের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী সরকারী খাল অবৈধ ভাবে দখল হওয়া‘সৈয়দারবালী এলাকায় খাল’ উদ্ধারের অভিযান পরিচালনা করছেন পৌর প্রশাসন।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে মাদারীপুর পৌর সভার প্রশাসক ও উপ-সচিব মো. হাবিবুল আলম এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সেবক মন্ডলের নেতৃত্বে পৌর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের মাতুব্বর বাড়ি মসজিদ থেকে ঋষিবাড়ি পর্যন্ত দুই কিলোমিটার খালটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন।
এসময় মাদারীপুর পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আবু আহমদ ফিরোজ ইলিয়াস, মেডিকেল অফিসার ডা. হরষিত বিশ্বাস,নগর পরিকল্পনাবিদ আরাফাত জামানসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
খালটি প্রায় গত ৩০ বছর যাবত অবৈধ দখল হওয়ায় পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এখন খালটি মুক্ত হওয়ায় সৈদারবাবালী-পানিছত্র ও শকুনী (আংশিক) এলাকার প্রায় ১০ হাজার পরিবার জলাবদ্ধতা থেকে নিরসন পাবে।
মাদারীপুর পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আবু আহমদ ফিরোজ ইলিয়াস বলেন, ‘আমরা শহরের যতগুলো খাল রয়েছে। সবগুলো খালের তালিকা তৈরী করেছি। যেসব খাল দিয়ে এখন আর পানি প্রবাহ হয় না। সেই সবগুলো খালই দ্রুততম সময়ের মধ্যেই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে খালগুলোতে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করে খালগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার পাশাপাশি মানুষের জলাবদ্ধার দুর্ভোগও কমিয়ে আনবো। ইতোমধ্যে আমরা সৈয়দারবালী খালের শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
মাদারীপুর পৌরসভার প্রশাসক ও উপ-সচিব মো. হাবিবুল আলম বলেন, ‘শত বছরের এতিহ্যবাহী ‘সৈয়দারবালী খাল’টি অবৈধভাবে দখল হয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এতে দীর্ঘদিন যাবত এই এলাকার মানুষেরা জলাবদ্ধতায় থাকত।
আমরা খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করছি এবং অনেকে নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আমরা শহরের সবগুলো খালই উদ্ধার অভিযান শুরু করব। যাতে শহরে জলবাদ্ধতা তৈরী না হয়।