
কৃপা বিশ্বাস, নড়াইল প্রতিনিধিঃ-নড়াইল সদর উপজেলার ৮৩ নং রুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি নির্বাচনে অনিয়ম দূর্ণীতি সেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের নধিসুত্রে যানা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোফিজুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে বিদ্যালয়ে নিজের খামখেয়ালী ভাবে কমিটি গঠন করে আসছে। নিজের পছন্দ মত প্রার্থী দিয়ে নাম মাত্র কমিটি করেন। সুচতুর এই প্রধান শিক্ষক নাম মাত্র কমিটি করে শিক্ষা অফিসারকে নগত নারায়ণে তুষ্ট করে সুদক্ষ ভাবে কাগজ পত্র ঠিক রাখেন। জবাবদিহিতার জায়গা কোন রকম কমতি করেন না। সম্প্রতি বিদ্যালয়ে কমটি গঠনের ক্ষেত্রে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে প্রধান শিক্ষক তার পছন্দ মত সাবেক সভাপতি অমিতোষ বিশ্বাসকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
খোঁজ নিয়ে যানা গেছে, অনিমেষ বিশ্বাসের কন্যা অনন্যা বিশ্বাস ( অহনা কে ২৩/১১/ ২০২৩ তারিখে রুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাড় পত্র দেওয়া হয়েছে। অহনা ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির যাবতীয় কাজ শেষ হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের অভিবাবক সদস্যকে ওই বিদ্যালয়ের বিদ্যোৎসাহী সদস্য হবে।সেটি মাননীয় সাংসদ সদস্য অনুমোদন দেবেন। বিষয়টি প্রধান শিক্ষক জানতে পেরে পূর্ব থেকে অনিমেষ বিশ্বাসকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের বিদ্যোৎসাহী সদস্য (মহিলা) রওশনারা খাতুন বলেন, কমিটির নিয়মবহির্ভূত ভাবে গঠিত হওয়ায় আমি রেজুলেশন খাতায় সাক্ষর করিনি। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে আমি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের উপর দাবি রাখি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মোঃ মফিজুর রহমান বলেন, কমিটি নিয়ম অনুযায়ি করেছি। কমিটি করার সময় উপ জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ছিলেন।যদি কোন অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে কমিটি অনুমোদন হবে না। পুনরায় কমিটি করা হবে।
নড়াইল সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। কমিটিতে আমি সাক্ষর করিনি। ঘটনার তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।