
আতাউর রহমান চঞ্চলঃ- বরিশালের গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু আবদুল্লাহ খান হস্তক্ষেপে প্রায় দুই
বছর পর শিকল বন্ধি জীবন থেকে মুক্তি পেলেন মানসিক ভারসাম্যহীন নাজমা বেগম। তিন বছর আগে মারা যায় নাজমার বেগমের স্বামী রহিম হাওলাদার। এরপর পুরো মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে সে।
অন্যত্র যাতে চলে যেতে না পারে সেজন্য গত দুই বছর যাবত তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে হচ্ছে।মানসিক ভারসাম্য হারালে সঠিক সুচিকিৎসা করাতে পারেন নাজমার পরিবার। ঠিক ভাবে তিন বেলা খাবার জুটেনা সেখানে মেয়েকে সুচিকিৎসা করানোর সুযোগ হয়ে ওঠেনি পরিবারের।
সুযোগ পেলেই অন্যত্রে চলে যায় নাজমা। তাই বাধ্য হয়েই পরিবারের লোকজন তাকে শিকল দিয়ে বেধে রেখেছিল পরিবারের লোকজন।এবিষয় স্থানীয়রা বলেছেন পরিবারটি এতটাই অস্বচ্ছল যে মানসিক ভারসাম্যহীন গৃহবধুকে
সুচিকিৎসা করানোর মত সক্ষমতা তাদের ছিলনা।
এছাড়াও পরিবারের একজন মাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনিও ষাটোর্ধ্ব বয়স্ক। তার ওপরই সাত সদস্যের ভরনপোষনের দায়িত্ব।পরিবারটি প্রকৃতপক্ষেই মানববেতর জীবনযাপন করে আসছে। রাষ্ট্রীয় ও সমাজের বৃত্তবানদের সহযোগিতায় সুচিকিৎসা পেয়ে শিকল বন্দি নাজমা আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা পরিবার ও স্থানীয়দের।
এবিষয়টি গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু আবদুল্লাহ খান জানতে পেরে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে শিকল বন্ধি জীবন থেকে তাকে মুক্ত করেদেন এবং যাতে করে তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে এ বিষয় তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।