1. admin@protidinercrime.com : admin :
  2. protidinercrime@gmail.com : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক : প্রতিদিনের ক্রাইম ডেস্ক
স্ত্রীকে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে লাশ লুকিয়ে রাখেন স্বামী, কালিয়ায় গলিত মরদেহ উদ্ধার - Protidiner Crime - প্রতিদিনের ক্রাইম
[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|
সংবাদ শিরোনামঃ
গৌরনদীতে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা গৌরনদীতে ইমামদের সঙ্গে বিএনপি নেতা আবুল হোসেন মিয়া’র মতবিনিময় ও দোয়া ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় উদ্ধার বাকেরগঞ্জের নিখোঁজ ৩ স্কুলছাত্রী দেবীগঞ্জে জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার জেলা অডিশন অনুষ্ঠিত। বরগুনায় কালবেলার প্রতিনিধির হাতে হাতকড়া, বিএমএসএফের উদ্বেগ বাবাকে ঘিরে আলোচিত ঘটনার পর স্কুলে ফিরল তুবা, পাশে ইউএনও গৌরনদীতে নতুন ইউপি প্রশাসকের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত রাড্ডা গুঁড়িয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কারা—হামলা থেকে এমপির পদত্যাগ মাদারীপুরে গোয়েন্দা পুলিশের পৃথক অভিযান: ৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৬

স্ত্রীকে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে লাশ লুকিয়ে রাখেন স্বামী, কালিয়ায় গলিত মরদেহ উদ্ধার

প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী,নড়াইল প্রতিনিধিঃ-

নড়াইলের কালিয়ায় নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর স্বামীর স্বীকারোক্তিতে তার স্ত্রী সুমি ওরফে আলপনার (৩৫) গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী আল-আমীন মন্ডল ওরফে ইরানুরকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে কালিয়া উপজেলার বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে কালিয়া থানা পুলিশ।
নিহত সুমি কালিয়া উপজেলার শুক্তগ্রাম (পূর্ব পাড়া) এলাকার মৃত জিল্লু মন্ডলের ছেলে আল-আমীন মন্ডলের স্ত্রী। তিনি লোহাগড়া উপজেলার কুমড়ি গ্রামের আজমল মোল্যার মেয়ে।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার পর সুমি তার শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে পরদিন তার ভাই সাকিব কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির ভিত্তিতে পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্তের এক পর্যায়ে সুমির নিখোঁজের ঘটনায় তার স্বামী আল-আমীনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায় পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নেওয়া হলে এক পর্যায়ে তিনি পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে মরদেহ গুম করতে বাড়ির পাশের বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখার তথ্য দেন। তার দেখানো স্থান থেকেই রাতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, আল-আমীন কোনো কাজ না করে সুমির জমানো টাকায় চলতেন এবং বিভিন্ন নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। এসব নিয়ে দাম্পত্য কলহ চলছিল এবং প্রতিবাদ করায় সুমির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। তারা এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

ওসি মো. ইদ্রিস আলী বলেন,“নিখোঁজের জিডির পর ছায়া তদন্তে ভুক্তভোগীর স্বামীর সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং তার দেখানো স্থান থেকেই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরেই হত্যার তথ্য মিলেছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও বিস্তারিত তদন্ত শেষে পরবর্তী তথ্য জানানো হবে।”
নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved ©2024 protidinercrime.com