
প্রতিদিনের ক্রাইম নিউজ ডেস্ক, বরিশাল গৌরনদীঃ-
সীমান্তবর্তী রৌমারীতে মাদক, জুয়া, চাঁদাবাজি, যৌতুক, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অপরাধের তথ্য দ্রুত পুলিশকে জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের খেয়ারচর বাজারে কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এলাকার কোথাও অপরাধের উৎস, অপরাধে জড়িত ব্যক্তি কিংবা অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত পুলিশকে জানালে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সহজ হবে।
এ সময় মাদক, জুয়া, চাঁদাবাজি, যৌতুক, বাল্যবিবাহ, কিশোর গ্যাং এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। শুধু পুলিশের একক প্রচেষ্টায় নয়, সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমেই অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলে মত দেন বক্তারা।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রৌমারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ রাসেল কবির। আরও উপস্থিত ছিলেন রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ কাউসার আলী, যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরবেশ আলী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনগণ নিজ নিজ এলাকার অপরাধ ও অপরাধীদের বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বক্তারা বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থা, যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে। স্থানীয় জনগণ সচেতন ও সক্রিয় হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।