ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধ, পরে আকাশের মরদেহ উদ্ধার; কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক:-
পটুয়াখালী সদর থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাতক প্রধান অভিযুক্ত মো. আব্বাসকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮ ও এসআরবি-১-এর যৌথ আভিযানিক দল। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা জেলার খিলক্ষেত থানাধীন কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্বাস পটুয়াখালী জেলার উত্তর বাজারঘোনা এলাকার বাসিন্দা। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা জেলার এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধ
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর পটুয়াখালী ইপিজেড মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে ভুক্তভোগী আকাশ ও তাঁর চাচাতো ভাই রুবেল সিকদারকে অভিযুক্তদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরবর্তীতে রুবেল সিকদারকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হলেও আকাশের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।
মহাসড়কের পাশের ঢাল থেকে উদ্ধার আকাশের মরদেহ
নিখোঁজ আকাশের সন্ধানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গত ৯ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর থানাধীন পশ্চিম আউলিয়াপুর এলাকায় ইপিজেডের সামনে মহাসড়কের পাশের ঢাল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানা যায়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পটুয়াখালী সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আব্বাসকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকায় গ্রেপ্তার, হস্তান্তর পুলিশের কাছে
হত্যাকাণ্ডের পর মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় এসআরবি-৮ ও এসআরবি-১-এর যৌথ দল। এর ধারাবাহিকতায় ১৪ অক্টোবর ঢাকার কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকা থেকে আব্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর তাঁকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা জেলার এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে আকাশ হত্যার প্রকৃত কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা এবং মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী বক্তব্যের ভিত্তিতে জানা যাবে।