পলাশ তালুকদার, গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ-
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ১২ কেজি এলপিজি (রান্নার গ্যাস) সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদের। স্থানীয়দের দাবি, নিয়মিত বাজার তদারকির অভাবে এ ধরনের অনিয়ম বাড়ছে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জুলাই ২০২৬ মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১,৫২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে, যা ২ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
সরেজমিনে বিভিন্ন বিক্রয়কেন্দ্র ও স্থানীয় ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় অধিক দামে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। কোথাও বসুন্ধরা ব্র্যান্ডের ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫৮০ থেকে ১,৫৯০ টাকায়, যমুনা ১,৫৫০ থেকে ১,৫৬০ টাকায় এবং ফ্রেশ ১,৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ সরকারি মূল্যের চেয়ে ২২ থেকে ৬২ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অন্যান্য ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেও একই ধরনের মূল্য পার্থক্য দেখা গেছে।
ভোক্তাদের অভিযোগ, সরকারি মূল্যতালিকা থাকলেও অধিকাংশ বিক্রয়কেন্দ্রে তা দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শন করা হয় না। ফলে অনেক ক্রেতাই প্রকৃত মূল্য সম্পর্কে অবগত না থাকায় অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
সচেতন মহলের মতে, প্রতিটি বিক্রয়কেন্দ্রে সরকারি মূল্যতালিকা প্রদর্শন নিশ্চিত করা, নিয়মিত বাজার মনিটরিং পরিচালনা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
এতে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং সাধারণ ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে এলপিজি কিনতে পারবেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় ভোক্তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।