রানীশংকৈল (ঠাকুর গাঁও) প্রতিনিধিঃ-
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় নকল সোনার পুতুল ও রুপার মুদ্রা দেখিয়ে প্রতারণার ঘটনায় পুলিশ যে অভিযান চালিয়েছে, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ গুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানা গেছে।
অডিও রেকর্ডে সাংবাদিকের কথা রয়েছে। এ বিষয়ে সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আসামিদেরকে থানায় এনে যখন জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন তখন আমি সহ কয়েকজন সাংবাদিক ছিল। আমার জানামতে অডিও রেকর্ড টি সম্পূর্ণ ভুল। সেখানে কোন টাকার বিষয়ে উঠে আসে নি।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানে আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত সোনালি রঙের মূর্তি, পুরোনো নকশার রুপার মুদ্রা এবং নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অডিও রেকর্ডকে কেন্দ্র করে নানা বিভ্রান্তি ছড়ালেও স্থানীয় প্রশাসন বলছে, এ রেকর্ডের সঙ্গে ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন-
"আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখেছি।পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো বাস্তবসম্মত নয়।যারা গ্রেপ্তার হয়েছে তারা প্রকৃতপক্ষে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিল।"
তিনি আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সবসময় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। কোনো নির্দোষ মানুষকে হয়রানি করা হয়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলও মনে করছেন, প্রতারক চক্র নিজেদের বাঁচাতে পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য ভুয়া তথ্য ও অডিও ছড়িয়ে দিচ্ছে।