পলাশ তালুকদার, গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ-
মাহে রমজানে ইফতার সামগ্রীর তালিকায় তরমুজ একটি জনপ্রিয় ফল। রোজাদারদের তৃষ্ণা নিবারণে রসালো এই ফলের চাহিদা বরাবরই বেশি থাকে। তবে চলতি মৌসুমে গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে তরমুজের দাম চড়া থাকায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
উপজেলার গৌরনদী স্ট্যান্ড, টরকী, মহিলাড়া ও বাটাজোড়সহ বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১০০ টাকা বা তারও বেশি দামে। সে হিসাবে মাঝারি আকারের একটি তরমুজ কিনতে গুনতে হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকের পক্ষেই তরমুজ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজানকে কেন্দ্র করে ফলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। একাধিক ক্রেতা জানান, “ইচ্ছা থাকলেও দামের কারণে তরমুজ কেনা সম্ভব হচ্ছে না। যদি দাম কিছুটা সহনীয় হতো, তাহলে প্রায় প্রতিটি ঘরেই ইফতারে তরমুজ থাকত।”
অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, চাষাবাদে সার, বীজ, সেচ ও শ্রমিকের খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকারি বাজারে তরমুজের দাম বেশি। এছাড়া পরিবহন ব্যয় ও একাধিক হাতবদলের কারণেও খুচরা পর্যায়ে দাম বেড়ে যাচ্ছে। এক দোকানি জানান, “পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তার সঙ্গে পরিবহন খরচ যোগ হয়ে খুচরা দামে প্রভাব পড়ছে।”
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজানের মাঝামাঝি সময়ে সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমতে পারে। তবে বর্তমানে লেবুর পর তরমুজই ইফতার বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত ও তদারকি জোরদার হলে তরমুজের দাম সাধ্যের মধ্যে আসবে এবং রমজানের ইফতারে স্বস্তি