মোঃ হেমায়েত হোসেন খান,নিউজ ডেস্ক মাদারীপুরঃ-
মাদারীপুরের কালকিনিতে নিখোঁজের ১১ দিন পরে মোঃ রুহুল আমিন ঘরামী-(৫৫) নামে পাট ব্যবসায়ীর অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহত রুহুল আমিন মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের জায়গীর গ্রামের সোনামদ্দীন ঘরামীর ছেলে।
সোমবার(২৩ মার্চ ) দুপুরে নিহতের বাড়ির পাসের একটি ধান ক্ষেত থেকে ওই ব্যাবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে নিহতের প্রথম স্ত্রীর ছেলেরা তাকে হত্যা করে ধানক্ষেতে ফেলে রেখেছেন বলে দাবি করেছেন নিহতের ভাই ও স্বজনেরা। অপরদিকে এই ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে দুদু মিয়া ঘরামী ও দুলাল ঘরামীকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার জন্য আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সুত্রে জানা গেছে, নিহত ওই ব্যাবসায়ী গত ১৪ মার্চ (শনিবার) রাতে তার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। আজ (২৩ মার্চ )সোমবার সকালের দিকে নিহতের বাড়ির পাশের একটি ধান ক্ষেতে তার লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে কালকিনি থানার ওসি মোঃ জহিরুল আলম সঙ্গেীয় ফোর্স নিয়ে পাট ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন।
নিহতের ভাই এবাদুল ঘরামী ও আলী আজগর ঘরামী বলেন, তাদের ভাই রুহুল আমীনের সঙ্গে তার প্রথম স্ত্রীর ছেলে দুদু মিয়া ঘরামীর সাথে জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তাই তাকে দুদু মিয়া তার লোকজন নিয়ে রুহুল আমীনকে হত্যা করে ধান ক্ষেতে ফেলে রেখেছেন। তাই তারা তাদের ভাইয়ের প্রথম স্ত্রীর ছেলে দুদু মিয়া ও দুলাল ঘরামীকে পুলিশের কাছে তুলে দেয়ার জন্য স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় আটক করে রেখেছেন। তারা আরো বলেন দুদু মিয়া ও দুলাল মিয়াকে আসামি করে মামলা করবেন বলে জানান।
এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি মোঃ জহিরুল আলম জানান, খবর পেয়ে ধান ক্ষেত থেকে নিহত রুহুল আমিনের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।