মোঃ হেমায়েত হোসেন খান,নিউজ ডেস্ক মাদারীপুরঃ-
মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের আদিত্যপুর পাচবাড়িয়া গ্রামে বাবা-মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করলেন ইতালি প্রবাসী সজীব মাতুব্বার।
মাদারীপুরের সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের আদিত্যপুর পাচবাড়িয়া গ্রামে বাবা-মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করলেন ইতালিপ্রবাসী সজীব মাতুব্বার। শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কনেকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়িতে আসার পরে গ্রামবাসী একনজর তাদেরকে দেখতে ভিড় করেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের আদিত্যপুর পাচবাড়িয়া এলাকার লুৎফার মাতুব্বার এর ছেলে ইতালি প্রবাসী সজীব মাতুব্বার এর সঙ্গে একই উপজেলার ভদ্রখোলা এলাকার মিজানুর রহমানের মেয়ে জেরিন জাহান বিয়ে ঠিক হয়।
বাবা-মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতে বর সজীব মাতুব্বার হেলিকপ্টার ভাড়া করেন। গত শুক্রবার দুপুরে মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের আদিত্যপুর পাচবাড়িয়া গ্রামের বাড়ি থেকে বর সেজে বাবা-মাকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়েন সজীব মাতুব্বার। পরে একেই উপজেলার ভদ্রখোলা এলাকায় কনের বাড়ি গিয়ে পাশের মাঠে নামেন বড় যাত্রীর হেলিকপ্টার। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেলে আবার হেলিকপ্টারে চড়ে কনেকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন বর যাত্রীর হেলিকপ্টার। এ সময় স্থানীয়রা বর-কনে ও হেলিকপ্টার দেখতে ওই এলাকার শত শত মানুষ ভিড় জমান আনন্দ উপভোগ করার জন্য
বর সজীব মাতুব্বার বলেন, ‘আমার বাবা মায়ের আমি ছোট ছেলে। বাবা-মায়ের দির্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল তারা তাদের পূত্রবধুকে হেলিকপ্টারে উঠিয়ে আনবেন,তাই বাবা মায়ের স্বপ্নপূরণের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া করে।এই হেলিকপ্টারে কনের বাড়িতে যাই। বাবা-মাকে খুশি করতে পেরে আমরাও অনেক খুশি।’
এসময় বর সজীব মাতুব্বার এর বাবা লুৎফার মাতুব্বার বলেন, ‘আমার ছোট ছেলে ইতালি প্রবাসী। আমাদের স্বপ্ন পূরন করতে এই হেলিকপ্টার ভাড়া করেছি।
কনের বাবা মিজানুর রহমান বলেন,আমার জামাই তার বাবা-মায়ের সঙ্গে হেলিকপ্টারে চড়ে আমাদের বাড়ি এসেছে। এই আয়োজনে আমরা খুব খুশি হয়েছি।
হেলিকপ্টার দেখতে আসা এলাকাবাসী বলেন, আমরা কখনো হেলিকপ্টার দেখিনি। এখানে আসবে শুনে দেখতে আসলাম। হেলিকপ্টার দেখতে পেয়ে আমারা খুবেই আনন্দিত।
স্থানীয় ইউপি সদস্য হুমায়ূন কাজী বলেন,এই হেলিকপ্টার ওঠানামা দেখার জন্য গ্রামের বহু মানুষ ভিড় করেছিল। এ ধরনের আয়োজন আমরা আগে কখনো দেখিনি। হেলিকপ্টার দেখতে পেয়ে আমরা খুব আনন্দ পেয়েছি।